• সোমবার ২২ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ৯ ১৪৩১

  • || ১২ শাওয়াল ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সর্বদা প্রস্তুত : প্রধানমন্ত্রী দেশীয় খেলাকে সমান সুযোগ দিন: প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলার মধ্য দিয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রপতি শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা নেই: প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশুপালন ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের তাগিদ জাতির পিতা বেঁচে থাকলে বহু আগেই বাংলাদেশ আরও উন্নত হতো মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রতি নজর রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী আজ প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ উদ্বোধন করবেন

বাড়িতে গ্যাস লিকেজ হয়েছে কি না বুঝবেন যে লক্ষণে

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ৩ মার্চ ২০২৪  

প্রাকৃতিক গ্যাস দৈনন্দিন চাহিদা মেটালেও এর সঠিক নিয়ন্ত্রণ না করলে ঘটতে পারে মারাত্মক দুর্ঘটনা। তাই বাড়িতে গ্যাস লিকেজ প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়া অতি জরুরি। এ বিষয়ে আগে থেকে সতর্ক হলে ও বেশ কিছু সাবধানতা মেনে চললে প্রাণ ও সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব। জেনে নিন গ্যাস লিকেজের লক্ষণ কী কী-

অস্বাভাবিক গন্ধ

প্রাকৃতিক গ্যাস মূলত কয়েক ধরনের হাইড্রোকার্বনের এক প্রকার মিশ্রণ। বাস্তবে এটি গন্ধহীন হলেও, মার্কেপ্টেন নামক একপ্রকার গান্ধব পদার্থ যুক্ত করে একে গন্ধযুক্ত করা হয়। ফলে কোথাও গ্যাস লিকেজ হলে এই গন্ধ নাকে আসে ও তা থেকে সহজেই গ্যাস লিকেজ হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়।

শব্দ

বাড়িতে ব্যবহৃত সিলিন্ডারে বা পাইপের মধ্যে উচ্চ চাপে গ্যাস আবদ্ধ করে রাখা হয়। গ্যাস লিকেজ হলে পাইপ বা সিলিন্ডারের উচ্চ চাপের স্থান থেকে গ্যাস বের হয়ে আসে। ফলে গ্যাস বের হওয়ার সময় তীক্ষ্ণ হিস হিস শব্দ শোনা যায়। তাই এ ধরনের তীক্ষ্ণ শব্দ শুনতে পেলে সতর্ক হোন।

শারীরিক উপসর্গ

গ্যাস লিকেজ হলে ঘরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যেতে পারে। ফলে শরীরে চাহিদা অনুযায়ী অক্সিজেন প্রবেশ করতে পারে না। এ কারণে মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব ও মাথাব্যথার মতো শারীরিক লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

গ্যাস লিকেজ শনাক্ত হলে দ্রুত যা করবেন

>> বাড়িতে যদি গ্যাস লিকেজ শনাক্ত হয়, তাহলে দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে যান। ঘর থেকে বের হয়ে বেশ ফাঁকা এবং নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিন।

>> আবদ্ধ ঘরে গ্যাস লিকেজ হলে জমে থাকা গ্যাস ছোট্ট একটি আগুনের ফুলকি বা শিখা থেকে মারাত্মক অগ্নিকাণ্ডে রূপ নিতে পারে। তাই লিকেজ শনাক্ত হলে কোনোভাবেই ঘরের কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র চালু করবেন না ও সুইচ চাপবেন না। কিংবা দেশলাই বা লাইটার দিয়ে কোনো কিছু জ্বালবেন না।

>> আবদ্ধ ঘরে জমে থাকা গ্যাস দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। তাই সবার আগে আবদ্ধ অবস্থা থেকে গ্যাসকে মুক্ত করে দিন। ঘরের দরজা, জানালা খুলে দিয়ে বাইরের বাতাস ঘরে প্রবেশ করতে দিন।

>> সিলিন্ডার বা পাইপলাইন থেকে গ্যাস লিকেজ শনাক্ত হলে দ্রুত সিলিন্ডার বা পাইপলাইনের গ্যাসের যে প্রধান সরবরাহ থাকে, তা বন্ধ করুন।

>> গ্যাস লিকেজ শনাক্ত হলে দেরি না করে দ্রুত নিকটস্থ ফায়ার সার্ভিস বাহিনীকে ডাকুন। এতে যেকোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা মোকাবিলা করা সম্ভব।
>> সম্ভব হলে বাড়িতে কার্বন মনোক্সাইড শনাক্তকারী যন্ত্র লাগান। গ্যাসের প্রধান সরবরাহ লাইন বন্ধ রাখার সুইচ হাতের নাগালে রাখুন। একই সঙ্গে ঘরে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র রাখুন।