• শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৩০ ১৪৩১

  • || ০৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে কোরবানির পশু বেচাকেনা এবং ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার নির্দেশ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের কাছে ঋণ চেয়েছি গ্লোবাল ফান্ড, স্টপ টিবি পার্টনারশিপ শেখ হাসিনাকে বিশ্বনেতৃবৃন্দের জোটে চায় শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে সকল খাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করতে হবে শিশুশ্রম নিরসনে প্রত্যেককে আরো সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়িদের প্রতি নিয়ম নীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীকে বদলে যাওয়া জীবনের গল্প শোনালেন সুবিধাভাগীরা

এয়ার স্ট্রিপ থেকে দক্ষিণ এশিয়ার নান্দনিক বিমানবন্দর

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

১৯৪১ সাল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। যুদ্ধক্ষেত্রের সামরিক বিমান পরিচালনার জন্য একটি এয়ার স্ট্রিপ তৈরির প্রয়োজন পড়ে। ঠিক করা ঢাকার তেজগাঁওয়ে দাইনোদ্দা নামক স্থানে এটি হবে। সামরিক বিমান ওঠা-নামার পাশাপাশি উড়োজাহাজ নামার জন্য ব্রিটিশ সরকার কুর্মিটোলায়ও একটি রানওয়ে তৈরি করে। ১৯৪৭ সালে থেকে তেজগাঁও বিমানবন্দর পূর্ব পাকিস্তানের বেসামরিক বিমান চলাচলের প্রথম বিমানবন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

এরপর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সরকার ঢাকার কুর্মিটোলায় নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্প নেয়। অসম্পূর্ণ বিমানবন্দরটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত হলে পরবর্তীসময়ে বাংলাদেশ সরকার পুনরায় কাজ শুরু করে। ১৯৮০ সালে বিমানবন্দরটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। তবে ১৯৮৩ সালে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তার জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করেন। ২০১০ সালে বর্তমান সরকার বিমানবন্দরটির নাম পরিবর্তন করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নামকরণ করে।

সেই শাহজালাল বিমানবন্দরে চলতি বছরে যুক্ত হচ্ছে তৃতীয় টার্মিনাল। স্থাপত্য ও নির্মাণশৈলীতে যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে নজরকাড়া হবে। বছরে ৮০ লাখ যাত্রীসেবার এ বিমানবন্দরটির সক্ষমতা বেড়ে দাঁড়াবে এক কোটি ২০ লাখে।

গোড়ার কথা
ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই ব্রিটিশ সরকার ঢাকায় রয়্যাল ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স (আরআইএএফ) স্টেশন নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। ১৯৪১ সালে দাইনোদ্দা নামক একটি স্থানে তেজগাঁও বিমানবন্দর নির্মাণ শুরু হয় এবং একই সময় কুর্মিটোলায় বালুঘাটে একটি ল্যান্ডিং স্ট্রিপ নির্মাণ শুরু হয়। তেজগাঁও এবং কুর্মিটোলার এয়ার স্ট্রিপগুলো সামরিক ফাইটার প্লেন অবতরণের সুবিধা থাকায় নিরাপদে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্রিটিশ বিমানবাহিনী এগুলো ব্যবহার করে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এখানে একটি আমেরিকান বিমান বাহিনীর সংযুক্তি ইউনিটও স্থাপন করা হয়। ১৯৪৩ সালের শুরুতে তেজগাঁওয়ের নির্মাণাধীন রানওয়েতে রয়্যাল ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স প্রথম হালকা ফাইটার বিমান অবতরণ করে। পাকিস্তান বিমান বাহিনীর একটি স্টেশন হিসেবেও ব্যবহার হতে থাকে।

সরকার স্থানীয় যুবকদের পাইলটিং প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য ১৯৪৮ সালে ইস্টার্ন পাকিস্তান ফ্লাইং ক্লাব প্রতিষ্ঠা করে। ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানে উদ্ভিদ সংরক্ষণ বিভাগের ফ্লাইং উইংয়ের একটি শাখা প্রতিষ্ঠিত হয়। তেজগাঁও বিমানবন্দর ধীরে ধীরে ফ্লাইট নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। বিমানবন্দরটি ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ ও প্যান আমেরিকান এয়ারওয়েজসহ বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোকেও পরিষেবা দেয়। পিআইএ ১৯৬০ সালে তার বোয়িং জেট পরিষেবা শুরু করে। বেসামরিক বিমান চলাচল অধিদপ্তর এবং বিমানবন্দর উন্নয়ন সংস্থা সেসময় সমন্বয় করে কাজ করতো। তেজগাঁও বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ট্র্যাফিক ব্যবস্থার জন্য আপগ্রেড করতে হয়েছিল। তবে বিমানবন্দরটি একটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে ব্যর্থ হতে থাকলে ঢাকার কুর্মিটোলায় একটি নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
১৯৪১ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকার কুর্মিটোলায় উড়োজাহাজ নামার জন্য একটি রানওয়ে তৈরি করে। এরপর ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার কুর্মিটোলায় নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ফরাসি বিশেষজ্ঞদের কারিগরি সহায়তায় টার্মিনাল নির্মাণ এবং রানওয়ে নির্মাণের জন্য টেন্ডার হয়। বিমানবন্দরের নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের জন্য একটি রেলস্টেশনও নির্মাণ করা হয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয় অর্ধেক সম্পন্ন থাকা বিমানবন্দরটি। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সরকার কাজ পুনরায় চালু করে এবং এটিকে দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়।

১৯৮০ সালে রাজধানীর কুর্মিটোলা বিমানবন্দরের নির্মাণকাজ শেষ হলে বিমানবন্দরটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। তবে ১৯৮৩ সালে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তার জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করেন। ১ হাজার ৯৮১ একর এলাকায় নির্মিত এ বিমানবন্দরটি বাংলাদেশের প্রধান এবং সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। ২০১০ সালে বর্তমান সরকার বিমানবন্দরটির নাম পরিবর্তন করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নামকরণ করে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে দেশের প্রায় ৫২ শতাংশ আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট ওঠা-নামা করে। আর চট্টগ্রামে অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানবন্দর শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে প্রায় ১৭ শতাংশ যাত্রী যাতায়াত করে। এ বিমানবন্দর দিয়ে বছরে প্রায় ৪০ লাখ আন্তর্জাতিক ও ১০ লাখ অভ্যন্তরীণ যাত্রী এবং ১ লাখ ৫০ হাজার টন ডাক ও মালামাল আসা-যাওয়া করে। বাংলাদেশকে বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর সঙ্গে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযুক্ত করেছে। এই বিমানবন্দর থেকে ইউরোপ ও এশিয়ার ১৮টি শহরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ফ্লাইট পরিচালনা করে। নতুন দৃষ্টিনন্দন তৃতীয় টার্মিনালটির মূল আয়তন প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটার। ফলে বিমানবন্দরটিতে নতুন মাত্রা যোগ করছে এ টার্মিনালটি। নতুন টার্মিনালের স্থাপত্যশৈলী এরই মধ্যে নজর কেড়েছে।

বিমানবন্দরের স্থপতি ও নকশাকার

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্র জানায়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ভবনের প্রথম নকশা করেছিলেন ফরাসি স্থপতি লারোস। শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল ভবনটির নকশা করেছেন সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরের নকশাকার রোহানি বাহারিন। চাঙ্গি বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৩ ছাড়াও চীনের গুয়াংজুর এটিসি টাওয়ার, ভারতের আহমেদাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ইসলামাবাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনের নকশা তৈরি করেছেন এই স্থপতি। ফলে তিনি এই টার্মিনালের নকশায় আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা রেখেছেন। এখানে সব কিছুতে আধুনিক অটোমেটেড সিস্টেম থাকবে।

দেশের যত বিমানবন্দর

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়াও দেশে আরও দুটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। চট্টগ্রামে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেটে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর রয়েছে পাঁচটি। এসব বিমানবন্দরগুলোর মধ্যে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দর, নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দর, কক্সবাজারের কক্সবাজার বিমানবন্দর, যশোরের যশোর বিমানবন্দর ও বরিশালের বরিশাল বিমানবন্দর। নির্মাণাধীন রয়েছে একটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর। শুধু উড়োজাহাজ উড্ডয়ন ও অবতরণের জন্যও সাতটি স্বল্প পরিসরের বন্দর রয়েছে। এছাড়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তৈরি করা বেশকিছু এয়ারস্ট্রিপ এখনো রয়েছে।

বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা
সিভিল অ্যাভিয়েশন বিভাগ ও বিমানবন্দর উন্নয়ন সংস্থা স্বাধীনতার আগে থেকেই কাজ করছিল। কিন্তু দেশ স্বাধীনের পর আমলাতান্ত্রিক জটিলতাসহ নানা সমস্যার কারণে এই দুটিকে ভাঙা হয়। ১৯৮২ সালে এই দুটি বিভাগকে একত্রিত করে সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ নামে একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এতে আর্থিক বিষয়াদির কোনো ক্ষমতা না থাকায় জটিলতা নিরসন হয়নি। তবে ১৯৮৫ সালে আরেকটি অধ্যাদেশে সেই ক্ষমতা দেওয়া হলে তাদের নানান সমস্যা দূর হয়। এছাড়া সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাংলাদেশ সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ।

বিমানবন্দরের ভেতরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি। বিমানবাহিনী, পুলিশ, আনসার, সিভিল অ্যাভিয়েশন নিয়ে গঠিত অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি এ দায়িত্ব পালন করে। আর বিমানবন্দরের বাইরের অংশের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ (এপিবিএন)। এছাড়া বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা দায়িত্ব পালন করে।

সব বিমানবন্দর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ পরিচালিত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী সামরিক ও প্রশিক্ষণের জন্য কয়েকটি এয়ারফিল্ড ব্যবহার করে। বর্তমানে বাংলাদেশ সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান। ৩ হাজার ৮০৪ জনবল নিয়ে আন্তর্জাতিক মানের সেবা দিয়ে চলেছে বিমানবন্দরের দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তারা।

বিমানবন্দর ও উড়োজাহাজ চালাচলের সময় দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত মারা গেছে প্রায় একশো জন। এর মধ্যে বেশিরভাগই সাধারণ যাত্রী। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা যায়, দেশে এখন পর্যন্ত উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটে ১৯৮৪ সালের ৪ আগস্ট। বিমানের এফ-২৭ ফ্লাইটটি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসার পথে বিধ্বস্ত হলে দেশের প্রথম নারী পাইলট কানিজ ফাতিমা, বিমানের কো-পাইলটসহ মোট ৪৯ জন মারা যান। এর আগে বাংলাদেশে প্রথম উড়োজাহাজ দুর্ঘটনা ঘটে ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি। ম্যাকডোনালস ডগলাস কোম্পানির তৈরি ডিসি-৩ এয়ারক্রাফটটি বিধ্বস্ত হলে পাঁচজন ক্রু নিহত হন।

বাংলাদেশ সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটির চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান বলেন, তেজগাঁওয়ের বিমানবন্দর আর আজকের বিমানবন্দরের মধ্যে অনেক পার্থক্য। বিমানবন্দরগুলোতে যে সুযোগ-সুবিধা যাত্রীদের পাওয়ার কথা আগের তুলনায় অনেক বেশি আধুনিক হয়েছে এখনকার বিমানবন্দর। তৃতীয় টার্মিনালে বিশ্বের যে কোনো বিমানবন্দরে যেসব আধুনিক সুবিধা থাকে তা এখানে রয়েছে। স্থাপত্যশৈলীর দিক থেকে আগের কোনো বিমানবন্দরে এমনটা ছিল না।

যাত্রীদের সেবার বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে বছরে যাত্রী যাতায়াত করতে পারে ৮০ লাখ। সীমিত লোকবল নিয়ে যাত্রা শুরু করে এখন প্রায় চার হাজার জনবল রয়েছে। তৃতীয় টার্মিনাল চালুর আগেই আমরা জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছি। আমরা আরও আড়াই হাজার জনবল বৃদ্ধির সংস্থাপন পেয়েছি। কিন্তু পুরো নিরাপত্তার জন্যই আমাদের চার হাজার জনবল প্রয়োজন। আগামী তিন বছরে সিভিল অ্যাভিয়েশনে ১০ হাজার জনবল প্রয়োজন হবে, সেটিও পর্যাপ্ত নয়। তৃতীয় টার্মিনালের দায়িত্ব বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়া হয়েছে। তাদের জনবল আমাদের জনবলের হিসাবে অন্তর্ভুক্ত নয়।