• সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ২০ ১৪৩০

  • || ২২ শা'বান ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
বিজিবিদের চেইন অব কমান্ড মেনে কাজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এখানে এলেই মনটা ভারী হয়ে যায়- বিজিবি দিবসে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমানের স্মার্ট বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই বিজিবিকে বিজিবি দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আব্দুল কাদের জিলানীর (র.) মাজার জিয়ারতে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ নির্বাচনে যথাযথ দায়িত্ব পালন করায় ডিসিদের ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীর ভোক্তাদের যেন হয়রানি হতে না হয়, সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে বাজারে নজরদারি-মজুত ঠেকাতে ডিসিদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শান্তিরক্ষা মিশনে অবদান রেখে সুনাম বয়ে আনছে সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনীকে সক্ষম করে তোলা হচ্ছে

ক্যাম্পে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের আধিপত্য, বেড়েছে হত্যাকাণ্ড

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ৯ ডিসেম্বর ২০২৩  

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একাধিক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। অপহরণ, মাদক, অস্ত্র ও চাঁদাবাজি ঘিরে ক্যাম্পগুলোতে তাদের গ্রুপিং বেড়েছে। ক্ষমতার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বেড়েছে হত্যাকাণ্ড।
গত মঙ্গলবার রাতে উখিয়ার ক্যাম্পে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালুভেশন আর্মি (আরসা) ও রোহিঙ্গা স্যালিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) সন্ত্রাসী দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পৃথক স্থানে তিন সন্ত্রাসী মারা গেছেন। ক্যাম্প ১৭ ও ১৫ তে এ ঘটনা ঘটে।

অপরদিকে, মঙ্গলবার বিকেলে উখিয়া উপজেলার ৪ নম্বর ক্যাম্পে সন্ত্রাসী হামলায় গুলিতে মারা যান আরেক রোহিঙ্গা। এ নিয়ে একদিনে পৃথক সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় নিহত হয়েছে চারজন রোহিঙ্গা।

জানা গেছে, রোহিঙ্গা শিবিরের অভ্যন্তরে গড়ে ওঠা দোকানপাট থেকে চাঁদা আদায়, ইয়াবা ও নানা প্রকার মাদক ও অস্ত্র বাণিজ্য, সংগঠনভিত্তিক এলাকা দখল নিয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই প্রতিনিয়ত চলছে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা।

গত সাড়ে আট মাসে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ৬১টি সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত ৭৪ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৮ জন রোহিঙ্গা মাঝি, ২১ জন আরসার সদস্য, চারজন আরএসওর সদস্য, একজন স্বেচ্ছাসেবক ও অন্যরা সাধারণ রোহিঙ্গা।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম জানান, ক্যাম্পে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের কার্যক্রম রোধে নিরলসভাবে কাজ করছে পুলিশ। অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।