• বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৩০ ১৪৩১

  • || ০৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে সকল খাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করতে হবে শিশুশ্রম নিরসনে প্রত্যেককে আরো সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়িদের প্রতি নিয়ম নীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীকে বদলে যাওয়া জীবনের গল্প শোনালেন সুবিধাভাগীরা আশ্রয়ণের ঘর মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি তৈরি করে দেব : প্রধানমন্ত্রী নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাচ্ছে সাড়ে ১৮ হাজার পরিবার

গোয়াল-ঘরে তরুণীকে ধর্ষণের সময় দেখে ফেলেন ভাই, অতঃপর...

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৩  

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের পল্লীতে প্রতিবন্ধী এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার ১৪ দিন পর থানায় মামলা হয়েছে। মামলার পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
অভিযুক্ত সঞ্জিত কুমার উরাও (২২) তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের কাঞ্চনেশ্বর গ্রামের অজিত কুমার উরাওয়ের ছেলে। ভুক্তভোগী তরুণী (৩৩) একই এলাকার বাসিন্দা।

তাড়াশ থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর ধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী তরুণীর পরিবার থানায় না আসায় দেরিতে মামলা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাতে তরুণীর ছোট ভাই বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আসামিকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

ওসি বলেন, ধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী তরুণীকে মঙ্গলবার সকালে শারীরিক পরীক্ষার জন্য সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল পাঠানো হয়। জবানবন্দি দেওয়ার জন্য তাকে আদালতে নেয়া হবে।

ভুক্তভোগীর ছোট ভাই জানান, গত ২৩ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে তার বোন প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হন। অনেকক্ষণ পর তিনি ঘরে ফিরে না আসায় খোঁজাখুজি শুরু করেন। একপর্যায়ে প্রতিবেশীর গোয়াল ঘরে গিয়ে তার বোন ও অভিযুক্ত সঞ্জিতকে আপক্তিকর অবস্থায় দেখেন। এ সময় অভিযুক্তকে ধরে চিৎকার করলে তিনি পায়ের স্যান্ডেল ও গেঞ্জি ফেলে পালিয়ে যান।

তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনার পর সঞ্জিতের চাচা স্থানীয় ইউপি সদস্য মিলন চন্দ্র সরকার মামলা করতে বাধা দেন। গ্রাম্য সালিশে বিষয়টি মীমাংসার জন্য মাতব্বরদের নিয়ে কয়েক দফা বৈঠক করেন। কিন্তু কোনো সমাধান না হওয়ায় মামলা করতে দেরি হয়েছে। মামলায় সহযোগিতা করার মতো আমার পরিবারে কেউ নেই। আসামি প্রভাবশালী হওয়ায় মামলার পর পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এ বিষয়ে স্থানীয় মাধাইনগর ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য মিলন চন্দ্র সরকার জানান, অভিযুক্ত সঞ্জিত আর ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী তরুণী প্রতিবেশী। ঘটনাটি নিজেদের মধ্যে হওয়ায় গ্রাম্য সালিশে সমাধান করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ভুক্তভোগী পক্ষের অসহযোগিতার কারণে সম্ভব হয়নি।