• সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ২০ ১৪৩০

  • || ২২ শা'বান ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
বিজিবিদের চেইন অব কমান্ড মেনে কাজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এখানে এলেই মনটা ভারী হয়ে যায়- বিজিবি দিবসে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমানের স্মার্ট বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই বিজিবিকে বিজিবি দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আব্দুল কাদের জিলানীর (র.) মাজার জিয়ারতে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ নির্বাচনে যথাযথ দায়িত্ব পালন করায় ডিসিদের ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীর ভোক্তাদের যেন হয়রানি হতে না হয়, সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে বাজারে নজরদারি-মজুত ঠেকাতে ডিসিদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শান্তিরক্ষা মিশনে অবদান রেখে সুনাম বয়ে আনছে সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনীকে সক্ষম করে তোলা হচ্ছে

আশরাফুজ্জামান-মঈনুদ্দিনকে ফেরাতে আইনি প্রক্রিয়া চলমান

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ১০ ডিসেম্বর ২০২৩  

একাত্তরে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের দুই হোতা আলবদর নেতা আশরাফুজ্জামান খান ও চৌধুরী মুঈনুদ্দীনকে দেশে ফেরত এনে বিচারের মুখোমুখি করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সর্বদা সচেষ্ট। তাদের ফিরিয়ে আনতে আইনি প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

রোববার (১০ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র সেহেলী সাবরীন এসব কথা বলেন।

মুখপাত্র বলেন, একাত্তরে বুদ্ধিজীবী হত্যা ইতিহাসে বর্বরোচিত এবং নৃশংস একটি ঘটনা। সে সময় শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, আইনজীবী, শিক্ষাবিদসহ বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। পাকিস্তানের সামরিক শাসকগোষ্ঠীর নির্দেশনা এবং পৃষ্ঠপোষকতায় রাজাকার এবং আল-বদর বাহিনী এই জঘন্য অপরাধ সংঘটিত করে।

সেহেলী সাবরীন বলেন, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মূল যে দুইজন, চৌধুরী মাইনুদ্দিন এবং আশরাফ, তাদের দেশে ফেরত এনে বিচারের মুখোমুখি করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সর্বদা সচেষ্ট। তারা যেসব দেশে অবস্থান করছেন সেসব দেশের সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যোগাযোগ রাখছে, যাতে তাদের ফিরিয়ে আনা যায়। সেই সঙ্গে তাদের ফিরিয়ে আনতে আইনি প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

মুখপাত্র বলেন, এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট যে অধিদপ্তর বা সংস্থা কাজ করছে তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হওয়ায় এই বিষয়ে সকল তথ্য জানান সম্ভব হচ্ছে না।

প্রসঙ্গত, একাত্তরে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের দুই হোতা আলবদর নেতা আশরাফুজ্জামান খান ও চৌধুরী মঈনুদ্দীনের বিচার শেষে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের ১০ বছর পেরিয়ে গেছে। তবে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসি কার্যকর করা এখনও সম্ভব হয়নি।