• মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ১০ ১৪৩১

  • || ১৩ শাওয়াল ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সর্বদা প্রস্তুত : প্রধানমন্ত্রী দেশীয় খেলাকে সমান সুযোগ দিন: প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলার মধ্য দিয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রপতি শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা নেই: প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশুপালন ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের তাগিদ জাতির পিতা বেঁচে থাকলে বহু আগেই বাংলাদেশ আরও উন্নত হতো মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রতি নজর রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী আজ প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ উদ্বোধন করবেন

নিজস্ব চ্যানেল খুলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ১ এপ্রিল ২০২৪  

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিজস্ব চ্যানেল খুলতে যাচ্ছে। গত এক বছর ধরে এসবই আলোচনাতে ছিল। এবার আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে বিসিবি টিভি। আজ রবিবার (৩১ মার্চ) বিসিবির চলতি বছরের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এজিএম শেষে এসব তথ্য জানিয়েছেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী এবং বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপন।

বিসিবির টিভিসহ আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে গঠনতন্ত্রে দুটি সংশোধনী আনা হয়েছে। এ ব্যাপারে বোর্ড প্রধান বলেছেন, ‘বাংলাদেশে সাধারণত দুটি টিভি আমাদের খেলাগুলো দেখায়। এখন তারা যে সমস্ত খেলা দেখাবে না সেগুলো আমরা নিজেদের টিভিতে দেখাবো।’

গঠনতন্ত্রের ৬ নম্বর অনুচ্ছেদের উপানুচ্ছেদ ৬.১-এর সংশোধন করা হয়েছে। বর্তমানে এই উপানুচ্ছেদের গঠনতন্ত্রে বলা আছে, ‘ক্রিকেটের উন্নয়নে গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়নে অর্থায়নের জন্য সরকার, পৃষ্ঠপোষক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অন্যান্য উৎস হতে তহবিল সংগ্রহ এবং উদ্ধৃত তহবিল ঝুঁকিহীন লাভজনক বিনিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ।’

এই উপানুচ্ছেদের জায়গায় প্রস্তাবনা অনুযায়ী নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে, ‘ক্রিকেটের উন্নয়নে গৃহীত কার্যক্রম বাস্তাবায়নে অর্থায়নের জন্য সরকার, পৃষ্ঠপোষক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উৎস হতে তহবিল সংগ্রহ এবং উদ্ধৃত তহবিল ঝুঁকিহীন লাভজনক বিনিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণসহ যে কোনও তফসিলি ব্যাংকে যে কোনো পরিমাণে এফডিআর করা এবং ট্রেজারি বন্ড ক্রয় করা।’

‘এছাড়াও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে যে কোনো তফসিলি ব্যাংক হতে ঋণ গ্রহণ, এলসি খোলা অথবা যে কোনো ঋণের বিপরীতে জামানত হিসাবে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বন্ধক প্রদান বা চার্জ তৈরী করা অথবা ঋণের জামানত হিসাবে এফডিআরের বিপরীতে লিয়েন এর ব্যবস্থা গ্রহণ অথবা ব্যাংক গ্যারান্টি প্রদান করা। এর পাশাপাশি যে কোনো ধরনের বাণিজ্যিক ও সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের ব্যবস্থা গ্রহণ।’

টিভি আনার কারণ ব্যাখ্যা করে পাপন বলেছেন, ‘বর্তমানে টেস্টের পাশাপাশি মেয়েদের সিরিজ ও প্রিমিয়ার লিগ চলছে। এই দুটি খেলা দেখানো হচ্ছে না। এখন আমরা চেষ্টা করবো, মূল দলের খেলার পাশাপাশি বাকি খেলাগুলো দেখানোর। আমরা চাই ঘরোয়া ক্রিকেট টিভিতে দেখাতে। এটা যদি টিভিতে দেখানো হয় তাহলে ঘরোয়া ক্রিকেটের মান বাড়বে। আম্পায়ারিং নিয়ে কোনও সমস্যা হলেও ধরা পড়বে। সবমিলিয়ে আমরা সম্ভাব্য সব খেলাই দেখাতে চাচ্ছি।’     

তবে, স্যাটেলাইট হবে না কি আইপি টিভি সে ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত আসেনি। আপাতত গঠনতন্ত্রে সংশোধনী এসেছে, পরে টিভি পরিচালনার ব্যাপারে মূল পরিকল্পনা আসবে বলেই জানিয়েছেন বোর্ডপ্রধান।

গত কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন বাণিজ্যিক দিকে হাঁটতেই এই সংশোধনগুলো আনতে যাচ্ছে বিসিবি। তবে এজিএমের পর স্পষ্ট করেই বিসিবি জানিয়েছে, ওই পথে যাচ্ছে না তারা। মূলত তাদের ব্যাংকিং কার্যক্রমগুলোকে গতিশীল করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর বাইরে বিসিবি টিভি আনার জন্য তারা কাজ করছেন। এফডিআর, বন্ড কেনার মতো ঝুঁকিহীন বিনিয়োগগুলোও করবে তারা।

এ ব্যাপারে প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘অর্থনৈতিক লেনদেন ও ব্যাংকিং যে কার্যক্রম, এগুলোতে আরও গতিশীলতা আনার জন্য এবং আমাদের লিগ্যাল অ্যাডভাইজ অনুযায়ী এই পরিবর্তনগুলো আনা হয়েছে; যেমন আমাদের ব্যাংকিং কার্যক্রমে...আপনারা জানেন যে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের অনেক কমপ্লাইন্সেস পূরণ করতে হয়; যেকোনো অর্থনৈতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে। মূলত এসব ক্ষেত্রে যেসব ফ্যাক্টরগুলো বিবেচনা করা হয়, সেগুলোর আলোকেই এই দুইটা অনুচ্ছেদে আমাদের সংশোধনী আনা হয়েছে। ’

তিনি আরও যোগ করে বলেছেন, 'বিষয়টা একটা মিসলিডিং ইনফরমেশন (বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হওয়া) আমরা বলবো। কারণ আমাদের বুঝতে হবে কোম্পানি ফরমেশন এবং কোনও কোম্পানির যে শেয়ার সেটা শেয়ার মার্কেটে দেওয়ার মধ্যে একটা পার্থক্য রয়েছে। আমাদের মূলত যে বিসিবি টিভি করার যে একটা পরিকল্পনা আছে। ওই বিসিবি টিভি করতে গিয়ে আমাদের...যেহেতু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বাংলাদেশের ক্রিকেটের গভর্নিং বডি। ক্রিকেট নিয়ে আমাদের কাজ, এর বাইরে যে এসমস্ত কার্যক্রমগুলো পরিচালনা করার জন্য একটা লিগ্যাল ফ্রেম ওয়ার্কের মধ্যে করতে হবে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী। এজন্যই সংশোধনীগুলো করা হয়েছে। ’