• শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৩০ ১৪৩১

  • || ০৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে কোরবানির পশু বেচাকেনা এবং ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার নির্দেশ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের কাছে ঋণ চেয়েছি গ্লোবাল ফান্ড, স্টপ টিবি পার্টনারশিপ শেখ হাসিনাকে বিশ্বনেতৃবৃন্দের জোটে চায় শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে সকল খাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করতে হবে শিশুশ্রম নিরসনে প্রত্যেককে আরো সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়িদের প্রতি নিয়ম নীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীকে বদলে যাওয়া জীবনের গল্প শোনালেন সুবিধাভাগীরা

শেষ মুহূর্তের চুক্তিতে সরকার বাঁচলো যুক্তরাষ্ট্রের

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০২৩  

শাটডাউন এড়াতে দ্বিদলীয় বিল পাস করেছে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ। মার্কিন সরকার শাটডাউন হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে প্রতিনিধি পরিষদ মূলত একটি স্বল্পমেয়াদী তহবিল চুক্তিতে সম্মত হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, সরকারে স্বল্পমেয়াদী অর্থায়নের বিষয়ে হাউজ অব কমনস এবং সিনেটের মধ্যে সমঝোতা হওয়ায় বড় সংকট থেকে বেঁচে গেছে বাইডেন প্রশাসন। এই চুত্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্রের লাখ লাখ সরকারি কর্মচারীকে বিনাবেতনে ছুটিতে পাঠাতে হতো, বন্ধ হয়ে যেতো সরকারের গুরত্বপূর্ণ বিভিন্ন সেবা।

জানা গেছে, মার্কিন সরকারকে আগামী নভেম্বরের মধ্যভাগ পর্যন্ত অর্থায়ন সংক্রান্ত একটি বিল ৮৮-৯ ভোটে পাস হয়েছে সিনেটে। তবে এতে ইউক্রেনের জন্য নতুন কোনো সহায়তার পরিকল্পনা রাখা হয়নি। ৪৫ দিনের এই পরিকল্পনা প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন মার্কিন হাউজ স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি। এটি পাস হওয়ায় আপাতত স্বস্তি পেলো ডেমোক্র্যাট সরকার।

এর আগে, নতুন অর্থায়ন বিল নিয়ে একদল কট্টর রিপাবলিকান সদস্য আপত্তি তোলায় আংশিক অচল হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছিল বাইডেন প্রশাসন।

চুক্তি না হলে রোববার বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা থেকে অচল হয়ে পড়তো মার্কিন সরকারের একটি বড় অংশ। কিন্তু শনিবার এক নাটকীয় পরিবর্তনের পর হাউজ রিপাবলিকানরা অস্থায়ী অর্থায়ন বিল পাসে সম্মতি দেন।

যদিও রিপাবলিকানদের চেয়ে এই প্রস্তাবে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন বেশি ছিল। অন্তত ৯০ জন রিপাবলিকান সদস্য এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।

মূলত কট্টর ডানপন্থী রিপাবলিকানরা সরকারের ব্যয় কমানোর দাবিতে অনড় থাকায় বিল পাস নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আইনপ্রণেতাদের একটি বড় অংশ সরকার অচল হওয়া এড়ানোর পক্ষে ভোট দেন।