• শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৩০ ১৪৩১

  • || ০৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে কোরবানির পশু বেচাকেনা এবং ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার নির্দেশ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের কাছে ঋণ চেয়েছি গ্লোবাল ফান্ড, স্টপ টিবি পার্টনারশিপ শেখ হাসিনাকে বিশ্বনেতৃবৃন্দের জোটে চায় শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে সকল খাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করতে হবে শিশুশ্রম নিরসনে প্রত্যেককে আরো সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়িদের প্রতি নিয়ম নীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীকে বদলে যাওয়া জীবনের গল্প শোনালেন সুবিধাভাগীরা

সৌদিতে ৩ কোটি টাকার লটারি জিতলেন বাংলাদেশি শাহিন

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী মোহাম্মদ শাহিন সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাহজুজ লটারি জিতে রাতারাতি কোটিপতি বনে গেছেন। চলতি সপ্তাহে সৌদির মাহজুজ লটারিতে ১০ লাখ আমিরাতি দিরহাম পেয়েছেন তিনি। যা বাংলাদেশি প্রায় তিন কোটি টাকা।

বুধবার আমিরাতের ইংরেজি দৈনিক খালিজ টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশি মোহাম্মদ শাহিন মাহজুজ লটারি জিতে কোটিপতি হয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের নাগরিক। বর্তমানে সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে বসবাস করছেন।

লটারি জয়ের মুহূর্তটি তার কাছে একেবারে বিস্ময়কর ছিল। মাজজুজ লটারির সাপ্তাহিক বিজয়ী হিসাবে তার কাছে কর্তৃপক্ষ যখন একটি ই-মেইল পাঠায়, তখন তিনি একা ছিলেন। ওই ই-মেইলে তার র‍্যাফেল ড্রয়ের আইডি নম্বরও ছিল।

খালিজ টাইমস বলছে, ৩১ বছর বয়সী কঠোর পরিশ্রমী শাহিন সৌদি আরবের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত আছেন। প্রায় এক বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে ড্রয়ের বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পারেন তিনি। এরপর থেকেই তিনি মাহজুজ ড্রতে অংশ নিয়ে আসছিলেন।

লটারি জয়ের ই-মেইল পাওয়ার পর প্রথমে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না শাহিন। আশ্চর্যজনক খবরটি যাচাই করার জন্য তিনি সঙ্গে সঙ্গে তার মাহজুজ অ্যাকাউন্টে লগ ইন করেন। সেখানে তিনি ১ মিলিয়ন আমিরাতি দিরহামের (দুই কোটি ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকার বেশি) বিশাল অংক দেখতে পান।

উল্লাসে ফেটে পড়ে বাংলাদেশি এই প্রবাসী খালিজ টাইমসকে বলেন, ‘আমি লটারি বিজয়ী হয়েছি বুঝতে পেরে একেবারে হতবাক এবং বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছিলাম। আমার মাহজুজ অ্যাকাউন্টে বিশাল অংকের অর্থ দেখে আমি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এবারই প্রথম আমি নিজের অ্যাকাউন্টে এতগুলো শূন্য দেখেছি। এত বিশাল অংকের অর্থ জয় আমাকে অবিশ্বাস্য রকমের কৃতজ্ঞ করে তুলেছে।’

প্রিয়জনদের থেকে দূরে থাকা সত্ত্বেও তিনি বাংলাদেশে থাকা পরিবারের কাছে সুসংবাদটি তাৎক্ষণিকভাবে পৌঁছে দেন। জীবন বদলে দেওয়া এই লটারি জয়ের কথা শুনে পরিবারের সদস্যদেরও আনন্দ-উত্তেজনার সীমা ছিল না।