• শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৩১ ১৪৩১

  • || ০৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে কোরবানির পশু বেচাকেনা এবং ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার নির্দেশ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের কাছে ঋণ চেয়েছি গ্লোবাল ফান্ড, স্টপ টিবি পার্টনারশিপ শেখ হাসিনাকে বিশ্বনেতৃবৃন্দের জোটে চায় শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে সকল খাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করতে হবে শিশুশ্রম নিরসনে প্রত্যেককে আরো সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়িদের প্রতি নিয়ম নীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীকে বদলে যাওয়া জীবনের গল্প শোনালেন সুবিধাভাগীরা

সাগরতলে ‘সোনার ডিম’

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

সাগরের প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মিটার (সাড়ে ৩ কিলোমিটার) নিচে সোনার ডিমের মতোই একটি বস্তুর সন্ধান পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা। রহস্যময় ওই বস্তু পাওয়া গেছে যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঙ্গরাজ্যে। গত ৩০ আগস্ট সাগরের তলদেশের জীবজগৎ নিয়ে গবেষণার সময় বিজ্ঞানীদের নজরে পড়ে বস্তুটি। সোনালি রঙের ডিম্বাকৃতির এ বস্তুর ব্যাস ৪ ইঞ্চি। এর গোড়ার দিকে একটি ছোট ফাটল রয়েছে।
ডিমটির সন্ধান পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশানিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনওএএ)। তারা জানিয়েছে, সাগরের তলদেশে বস্তুটির দিকে যখন ক্যামেরা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন এটির পরিচয় শনাক্ত করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা ধন্দে পড়ে গিয়েছিলেন। প্রথমে মনে হচ্ছিল, সেটি কোনো মৃত স্পঞ্জ বা কোরাল। বস্তুটি যেন রূপকথার গল্পের মতোই কোনো কিছু। তাই এটির নাম দেওয়া হয়েছে সোনার ডিম।

এদিকে বস্তুটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও চলছে গুঞ্জন। অনেকে বলছেন, এটি হয়তো ভিনদেশি কোনো প্রাণীর ডিম! এটি আসলেই কী, তা জানতে কম চেষ্টা চালাচ্ছেন না বিজ্ঞানীরাও। সেটি সাগরের তলদেশ থেকে জাহাজের ল্যাবরেটরিতে তুলে এনেছেন তারা। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর পরও এর উৎপত্তি সম্পর্কে ধোঁয়াশায় থাকার কথা জানিয়েছে এনওএএ।

এনওএএর সাগরে অনুসন্ধানবিষয়ক সমন্বয়ক স্যাম ক্যানডিও বলেন, বস্তুটির সঙ্গে পরিচিত কোনো প্রাণীর সম্পর্ক আছে কিনা, তা জানা যায়নি। সেটি নতুন কোনো প্রাণী কি না বা কোনো প্রাণীর জীবনচক্রের অংশ কিনা, তাও স্পষ্ট নয়।

স্যাম ক্যানডিও আরো বলেন, এটি আমাদের একটি বিষয় মনে করিয়ে দেয় যে পৃথিবী সম্পর্কে আমরা কতটা কম জানি। আর আমাদের জানার কতটা বাকি আছে।