• সোমবার ২২ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ৯ ১৪৩১

  • || ১২ শাওয়াল ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সর্বদা প্রস্তুত : প্রধানমন্ত্রী দেশীয় খেলাকে সমান সুযোগ দিন: প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলার মধ্য দিয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রপতি শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা নেই: প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশুপালন ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের তাগিদ জাতির পিতা বেঁচে থাকলে বহু আগেই বাংলাদেশ আরও উন্নত হতো মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রতি নজর রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী আজ প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ উদ্বোধন করবেন

বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে ‘ক্যারিয়ারের সিক্রেট’ ফাঁস করলেন জয়া!

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ৪ মার্চ ২০২৪  

বিবাহিত জীবনে ইতি টানার পর জীবনে সেরা সাফল্যের পথে এই মুহূর্তে হাঁটছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। কিন্তু কীভাবে? সম্প্রতি সেই সিক্রেটই মিডিয়ায় ফাঁস করেছেন অভিনেত্রী। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ফিল্মফেয়ারের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিবাহিত জীবনে ইতি টানার পরই ক্যারিয়ারের সেরা সাফল্য পেয়েছেন জয়া। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী নিজের ব্যক্তিগত জীবন, প্রেম- ভালোবাসা, বিয়ে বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেছেন।

দীর্ঘ সময়ের রহস্য ভেঙে জয়া জানান, ক্যারিয়ারের শুরুতেই মনের মানুষ খুঁজে পেয়েছিলেন জয়া। পথ চলতে গিয়ে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় মডেল অভিনেতা ফয়সাল আহসান উল্লাহ্কে। কিন্তু ভালোবাসার সংসার শেষ পর্যন্ত মোড় নেয় বিচ্ছেদের পথে।

কিছু বিষয় নিয়ে সংসারে মনোমালিন্যের ঝড় বইতে শুরু করে সংসারে। ধীরে ধীরে যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এক সময় ফয়সালকে ডিভোর্স লেটার পাঠান জয়া। সে সময়টা একটি মেয়ের জীবনে বেশ কঠিন সিদ্ধান্ত বলেও মনে করেন অভিনেত্রী।

এ প্রসঙ্গে জয়া বলেন, মানুষের জীবনে সাফল্য, ব্যর্থতা, ভাঙা, গড়া আছে। এ হিসেবে জীবন একটা যুদ্ধক্ষেত্র। এ যুদ্ধ আরও কঠিন একটি মেয়ের ক্ষেত্রে।

জয়া আরও বলেন, আমার ভালোবাসায় মোড়ানো সংসার যখন বিচ্ছেদের পথে এগিয়ে গেল তখন মানসিকভাবে অনেকটাই ভেঙে পড়েছিলাম। ওই সময় মানসিকভাবে আমার চিন্তা-ভাবনায় অনেক পরিবর্তন আসে। আমি আমার ভালোবাসায় গড়া ভেঙে যাওয়া জীবনকে কাজের সাফল্যে মুড়িয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিই।

জয়া মনে করেন, বিবাহ বিচ্ছেদ হলে ওই সময় একটি মেয়ে নিজের মনোবল সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলেন। অন্ধকারের অতলে ডুবতে শুরু করেন। তাই জয়া সে ব্যর্থতায় নিজেকে দেখতে চাননি। তখন কাজের দিকে অনেক বেশি করে ফোকাস দিয়েছেন।

কেউ পাশে না থাকলেও সান্ত্বনা হিসেবে ‘কাজের সাফল্য’ কখনও নায়িকার পাশ ছেড়ে যায়নি, বরং সাফল্য এমনই নায়িকার পিছু নিয়েছে যে শুধু নিজের দেশ নয়, কলকাতা, বলিউড, ইরানসহ অনেক দেশেই অভিনয়ের প্রশংসা পেতে শুরু করলেন জয়া। তাই বিচ্ছেদকেই ‘ক্যারিয়ারের সাফল্যের সিক্রেট’ হিসেবে দেখছেন জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী।

সাক্ষাৎকারের শেষে জয়া বলেন, কঠিন সময়ে কাজকেই পাশে পেয়েছি। তাই কাজ থেকে কখনও নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখি না।  আমি আমার কাজকে ভালোবাসি। কাজের এই যাত্রাটাকেও গভীরভাবে ভালোবাসি।

প্রসঙ্গত, জয়ার সঙ্গে ফয়সালের দেখা হয়েছিল ১৯৯৮ সালে। দুজন দুজনের প্রতি প্রথম দেখাতেই দুর্বল হয়ে পড়েন তারা। প্রেমের সম্পর্ক সে বছরই পরিণতি পায় বিয়েতে। সুখেই কাটে দাম্পত্য জীবন। তবে ১৩ বছরের দাম্পত্যের হঠাৎই ইতি ঘটান তারা ২০১১ সালে। সেই থেকে আজও একাই রয়েছেন জয়া-ফয়সাল। কেউই আর বিয়ে করেননি।