• মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ২১ ১৪৩০

  • || ২৩ শা'বান ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
বিজিবিদের চেইন অব কমান্ড মেনে কাজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এখানে এলেই মনটা ভারী হয়ে যায়- বিজিবি দিবসে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমানের স্মার্ট বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই বিজিবিকে বিজিবি দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আব্দুল কাদের জিলানীর (র.) মাজার জিয়ারতে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ নির্বাচনে যথাযথ দায়িত্ব পালন করায় ডিসিদের ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীর ভোক্তাদের যেন হয়রানি হতে না হয়, সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে বাজারে নজরদারি-মজুত ঠেকাতে ডিসিদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শান্তিরক্ষা মিশনে অবদান রেখে সুনাম বয়ে আনছে সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনীকে সক্ষম করে তোলা হচ্ছে

নির্ধারিত সময়ের আগেই পদ্মা হয়ে ট্রেন ছুটবে যশোরে

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২৪  

সারা দেশে রেলপথ নেটওয়ার্কে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন অঞ্চল। রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে দেশের দক্ষিণ এবং দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল। এবার পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকা থেকে ট্রেন যাবে যশোর। এ রুটে রেল ট্র্যাক বসানো বাকি মাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার। ফেব্রুয়ারিতেই ভাঙ্গা-যশোর অংশে ট্রায়াল রান হবে। তাই নির্ধারিত সময়ের আগেই ঢাকা-যশোর নতুন রুটে ট্রেন চলবে।রেলপথটি ঢাকার কমলাপুর থেকে শুরু হয়ে নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ এবং নড়াইলের ওপর দিয়ে যশোর গিয়ে শেষ হবে। এই প্রকল্পের ঢাকা-ভাঙ্গা পর্যন্ত রেলপথটি গত বছরের ১০ অক্টোবর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পদ্মা সেতু অতিক্রম করে চালু হওয়া ঢাকা থেকে ভাঙ্গা রুটে নিয়মিত চলাচল করছে ট্রেন। নাশকতার আগুনে পুড়ে যাওয়া বেনাপোল এক্সপ্রেসও আগের শিডিউলে চলছে। আর যশোর পর্যন্ত নতুন রুট চালু করতে নানা প্রস্তুতি।এই রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হলে রেলপথে যশোর থেকে ঢাকার দূরত্ব কমবে ১৯৩ কিলোমিটার।  এরমধ্যে মধুমতি, চিত্রা, তুলারামপুর, আর্ফাসহ ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত ছোট বড় ৩২টি রেল সেতু, ৮৬টি কালভার্ট, ৮২টি আন্ডারপাস সম্পন্ন করার পাশাপাশি ১০টি রেলস্টেশনের কাজ শেষ পর্যায়ে। দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের যাতায়াত ও বৈদেশিক বাণিজ্যের পাশাপাশি আর্থসামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এ রেলপথ বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

শুধু দূরত নয় দেশের অর্থনীতিতেও বড় পরিবর্তন হবে। ট্রান্স এশিয়া রেলওয়ের নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে। দ্রুতগতির এই রেল নেটওয়ার্কে বাংলাদেশ রেল বিশেষ উচ্চতায় আসীন হবে। পদ্মা সেতুর সুফল আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে।
 পদ্মা সেতু হয়ে যাতায়াতকারী আসলাম বলেন, প্রকল্পটির পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে দেশের বৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল, বাণিজ্যিক শহর নওয়াপাড়া ও শিল্পাঞ্চল খুলনাসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত, পণ্য পরিবহনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই রেললাইনটি। পণ্য পরিবহন অনেক সাশ্রয়ী হবে, সময়ও লাগবে কম। ফলে বদলে যাবে এ এলাকার আর্থসামাজিক অবস্থা।পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. আফজাল হোসেন জানান, ফেব্রুয়ারিতেই ভাঙ্গা-যশোর ট্রায়াল রান হবে। জুন নির্ধারিত থাকলেও এর আগেই নতুন রুটে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত ট্রেন চলবে।

তিনি বলেন, গত নভেম্বরের ১ তারিখ থেকে ঢাকা থেকে ভাঙ্গা অংশে বাণিজ্যিক ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। এখন ভাঙ্গা থেকে যশোর অংশে ৮২ কিলোমিটার রেল পথ ইতোমধ্যে স্থাপন হয়ে গেছে। অবশিষ্ট অংশের রেল পথ স্থানের কাজ চলমান আছে। এ ছাড়াও রেলপথের ওয়েল্ডিং, ট্যাম্পিং, প্যাকিং ইত্যাদি কাজ চলমান আছে। ভাঙ্গা থেকে যশোর অংশে ৯টি স্টেশন এবং স্টেশনের লুক লাইন এবং সিগন্যালিংয়ের কাজও চলমান আছে। প্রজেক্টের সার্বিক অগ্রগতি সন্তোষজনক।

তিনি আরও বলেন, পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্প ব্যয় প্রায় ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।  মাওয়া থেকে ভাঙ্গা অংশের অগ্রগতি ৯৯ শতাংশ। আর ১৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ পুরো প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৯০ শতাংশ।