• সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ২০ ১৪৩০

  • || ২২ শা'বান ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
বিজিবিদের চেইন অব কমান্ড মেনে কাজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এখানে এলেই মনটা ভারী হয়ে যায়- বিজিবি দিবসে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমানের স্মার্ট বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই বিজিবিকে বিজিবি দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আব্দুল কাদের জিলানীর (র.) মাজার জিয়ারতে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ নির্বাচনে যথাযথ দায়িত্ব পালন করায় ডিসিদের ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীর ভোক্তাদের যেন হয়রানি হতে না হয়, সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে বাজারে নজরদারি-মজুত ঠেকাতে ডিসিদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শান্তিরক্ষা মিশনে অবদান রেখে সুনাম বয়ে আনছে সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনীকে সক্ষম করে তোলা হচ্ছে

৯ চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, আটক ৯

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ১০ ডিসেম্বর ২০২৩  

পাবনা সদর থানা পুলিশের দুদিনের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের নয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে নয়টি চোরাই মোটরসাইকেল।

রোববার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।  

অভিযানের বিষয়ে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রওশন আলী বলেন, চলতি মাসের প্রথম দিকে একটি মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগ আসে সদর থানায়। সেই অভিযোগের আলোকে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে মালিগাছা ইউনিয়নের মো. সেলিম হোসেনের ছেলে মো. প্রান্ত (২৫) ও চরঘোষপুর এলাকার মো. মক্কেলের ছেলে মো. মাজেদকে (৩১) প্রথমে ধরা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সদরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সাতটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এসময় চোর চক্রের আরও চার সক্রিয় সদস্যকে আটক করে পুলিশ।

গত ১ ডিসেম্বর প্রথম দিনের অভিযানের পর আটক সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। আদালত ১১ নভেম্বর তাদের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আরও তিনটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ তিনজনকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানান, তারা সবাই মোটরসাইকেল চোরচক্রের সদস্য। দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে আসছিলেন তারা। চুরি করা মোটরসাইকেল জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা, বিশেষ করে কুষ্টিয়া, কুমারখালী, রাজবাড়ি, ঈশ্বরদীতে নিয়ে কম দামে বিক্রি করে দিতেন তারা। তাদের নামে পাবনা সদর থানাসহ জেলার বিভিন্ন থানায় একাধিক চুরির মামলা রয়েছে।

আটক নয়জন হলেন চরঘোষপুর এলাকার মৃত আফজাল হোসেনের ছেলে মো. আবু দাউদ লিটন (৩২), কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চাকলপাড়া এলাকার মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে মো. জব্বার (৪০), একই এলাকার মো. কালামের ছেলে মো. জুয়েল, কিসমতপোতাপুর এলাকার মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে মো. সালাউদ্দিন (২৫), ঈশ্বরদীর কামালপুর এলাকার মো. বাদশা সরদারের ছেলে মো. হুমায়ুন (৩০), একই এলাকার মৃত মোফাজ্জলে ছেলে মো. মাসুদ রানা (৩২) ও মো. আবুল বাশারের ছেলে মো. আরিফুল ইসলাম রাফেল।