• মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ১৪ ১৪৩০

  • || ১৬ শা'বান ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
অপরাধের ধরন বদলাচ্ছে, পুলিশকেও সেভাবে আধুনিক হতে হবে পুলিশ সপ্তাহ শুরু, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে পুলিশ নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের পরীক্ষায় বারবার উত্তীর্ণ হয়েছে পুলিশ জনগণের আস্থা অর্জন করলে ভোট পাবেন: জনপ্রতিনিধিদের প্রধানমন্ত্রী জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে উন্নয়ন কাজের ব্যবস্থাটা আমরা নিয়েছিলাম কেউ যেন ভুয়া ক্লিনিক-চিকিৎসকের দ্বারা প্রতারিত না হন: রাষ্ট্রপতি স্থানীয় সরকার বিভাগে বাজেট বরাদ্দ ৬ গুণ বেড়েছে: প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকারকে মাটি-মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়তে হবে শবে বরাতের মাহাত্ম্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের কাজে আত্মনিয়োগের আহ্বান

প্রতিবেশী দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিদ্যুতে আগ্রহ বাংলাদেশের

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ১০ ডিসেম্বর ২০২৩  

প্রতিবেশী দেশের কাছ থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিদ্যুৎ আমদানির বড় উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। নেপালের কাছ থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির মধ্য দিয়ে এর যাত্রা শুরু হচ্ছে। ভবিষ্যতে নেপাল, ভুটান এবং ভারতের নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সম্প্রতি দুবাইতে জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নিয়ে জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় ধরে একই দামে বিদ্যুৎ পেতে এই উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সরকারের পরিচ্ছন্ন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিকল্পনাকে যা বেগবান করবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা নেপাল থেকে ভারতীয় গ্রিড লাইন ব্যবহার করে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আনছি। একই সঙ্গে নেপাল থেকে আরও ৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হবে।’

ভারতের রাজস্থান থেকে আরও ১ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ আনার জন্য সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এর বাইরে সরকার ভুটান থেকেও নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিদ্যুৎ আমদানি করতে চায়।’

প্রসঙ্গত, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়টি অনুমোদন করেছে। নেপাল এবং ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি করা হবে। ভারত থেকে সৌর বিদ্যুৎ আমদানি করা হবে। এভাবেই পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে বলে বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র জানায়।

নব্বইয়ের দশক থেকে প্রতিবেশী দেশ থেকে বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে আলোচনা শুরু হলেও ২০১২ সালের পর থেকে সেই উদ্যোগ গতি পায়। এখন ভারত থেকেই শুধু বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা এবং কুমিল্লার দুটি পৃথক লাইন দিয়ে এখন বিদ্যুৎ আমদানি করা হয়।

নেপালের বিদ্যুৎ আনতে ভারতীয় গ্রিড লাইন ব্যবহার করা হবে। এতে সঞ্চালনের জন্য ভারতকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

নেপাল এবং ভুটান ভবিষ্যতে একক গ্রিড লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যুৎ বাণিজ্যে আগ্রহী। তবে তৃতীয় কোনও দেশের উপর দিয়ে আঞ্চলিক বিতরণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ওই দেশের সরকারের সদিচ্ছা প্রয়োজন। এজন্য ভারতের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনাও চলছে।

ভারতের বেসরকারি খাত বাংলাদেশের কাছে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিক্রিতে আগ্রহী। সম্প্রতি ভারতের আদানি গ্রুপের কর্ণধার গৌতম আদানি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে বাংলাদেশে সৌর বিদ্যুৎ বিক্রির আগ্রহের কথা জানিয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। তবে এ বিষয়টি ভারত ও বাংলাদেশ কোনোপক্ষই নিশ্চিত করেনি।

কেবল নেপাল এবং ভুটানে ১ লাখ মেগাওয়াটের মতো জল বিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে। আঞ্চলিক সহযোগিতার ভিত্তিতে এই দুই দেশে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে দক্ষিণ এশিয়ার বিদ্যুৎ সংকটের অনেকটা সমাধান করা সম্ভব।

বাংলাদেশ ভারত এবং নেপালের সঙ্গে বিদ্যুৎখাতে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য যৌথ কমিটি কাজ করলেও ভুটানের ক্ষেত্রে এটি সম্ভব হয়নি। তবে ভুটানের সঙ্গে এ বিষয়ে বাংলাদেশের আলোচনা চলছে বলেও জানান, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।