• শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • চৈত্র ৩০ ১৪৩০

  • || ০৩ শাওয়াল ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন

শিক্ষাবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ, আসামি সোনালী ব্যাংকের ২ কর্মকর্তা

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ৮ মে ২০২৩  

নিজের পরিচয় গোপন করে ভুয়া নাম ও ঠিকানা ব্যবহার করে শিক্ষাবৃত্তির নামে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সোনালী ব্যাংকের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (৮ মে) দুদকের প্রধান কার্যালয়ের কমিশন থেকে চার্জশিটটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই সোনাক্ষির উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম আদালতে চার্জশিট দাখিল করবেন।

দুদক উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আসামিরা হলেন- বরখাস্ত হওয়া অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার কামরুজ্জামান ও সহকারী অফিসার সৈয়দ হাসান।

এছাড়া মামলায় আসামি ছিল এমন পাঁচজনের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ না পাওয়ায় আসামির তালিকা থেকে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে।

অব্যাহতিপ্রাপ্ত অন্য চার আসামি বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছিলেন। তারা হলেন- সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের অবসরপ্রাপ্ত কল্যাণ অফিসার শাহ আলম, বর্তমান সহকারী পরিচালক শামীম আহমেদ, সাবেক উপ-পরিচালক এ এস এম কবির ও সাবেক হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা রেজাউল রহমান।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, সোনালী ব্যাংকের বরখাস্ত হওয়া অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার কামরুজ্জামান মো. রফিকুল ইসলাম পরিচয়ে ভুয়া নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে সঞ্চয়ী হিসাব খোলেন। পরে মো. রফিকুল ইসলাম নাম ব্যবহার করে প্রতিবছর সরকারি বিভিন্ন অফিসের নাম ও পদবি ব্যবহার করে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড থেকে কল্পিত অধ্যয়নরত সন্তানের নাম দিয়ে শিক্ষাবৃত্তির জন্য অনেকগুলো আবেদন করেন। তার এসব আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড থেকে বাংলাদেশ ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী কল্যাণ তহবিলের মোট ১৫ লাখ ৬৪ হাজার ২৫০ টাকার চেকের মাধ্যমে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।
 
একইভাবে অপর আসামি সৈয়দ হাসান ইমাম নিজেকে মো. আব্দুল মালেক পরিচয়ে ভুয়া নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে সন্তান হিসাবে ভুয়া নাম ব্যবহার করে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী কল্যাণ তহবিলের ১৯ লাখ ৫৮ হাজার ৫৩৩ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।
আসামি তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধেও একইভাবে ১৪ লাখ ৭১ হাজার টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেলেও তিনি মারা যাওয়ায় অনুমোদিত চার্জশিট থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০/৪০৯/ ১৬১/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।