• মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ১০ ১৪৩১

  • || ১৩ শাওয়াল ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সর্বদা প্রস্তুত : প্রধানমন্ত্রী দেশীয় খেলাকে সমান সুযোগ দিন: প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলার মধ্য দিয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রপতি শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা নেই: প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশুপালন ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের তাগিদ জাতির পিতা বেঁচে থাকলে বহু আগেই বাংলাদেশ আরও উন্নত হতো মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রতি নজর রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী আজ প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ উদ্বোধন করবেন

বিশ্বমানের স্মার্ট বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই বিজিবিকে

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ৪ মার্চ ২০২৪  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সাবেক বিডিআর বিদ্রোহে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা আর যেন না ঘটে। দেশের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি)। দেশমাতৃকা রক্ষায় সদা জাগ্রত তারা। তাই বিশ্বমানের স্মার্ট বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই তাদেরকে। সোমবার (৪ মার্চ) বাহিনীর সদর দফতর পিলখানায় ‘বিজিবি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবিক কারণে তাদের (রোহিঙ্গা) আশ্রয় দেয়া হয়েছে। তাদের ফেরত পাঠাতে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। প্রতিবেশীদের সঙ্গে আমরা ঝগড়ায় যাইনি। আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করব। সীমান্ত রক্ষায় সর্বদা কাজ করে চলেছে বিজিবি।

দেশে অগ্নিসন্ত্রাস প্রতিরোধেও ভূমিকা রেখেছে বিজিবি, মানুষের আস্থা অর্জন করেছে তারা-এ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জল-স্থল ও আকাশ পথে যেন সমান তালে কাজ করতে পারে, সেভাবে এ বাহিনী গড়ে তোলা হয়েছে। বিশ্বমানের স্মার্ট বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই বিজিবিকে।

জাতির পিতাকে হত্যার পর সীমান্ত অধিকার কিংবা সমুদ্রের অধিকার নিয়ে কোনো সরকারই কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকার, ক্ষমতায় আসার পর সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন করে, শান্তিপূর্ণ উপায়ে ছিটমহল বিনিময়ে বিশ্বে নজির তৈরি করে। সীমান্ত অধিকার আদায় করেছে। আর বিজিবি তা রক্ষা করে চলেছে।

বিজিবি সদস্যদের উদ্দেশ্য করে শেখ হাসিনা বলেন, কখনোই শৃঙ্খলার ব্যাঘাত ঘটাবেন না, চেইন অব কমান্ড মেনে চলবেন। বিজিবি বিশ্বমানের আধুনিক সীমান্ত বাহিনী হিসেবে গড়ে উঠবে। সেভাবেই সরকার কাজ করছে। বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে সীমান্তে অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করবে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধুর দেয়া স্বাধীনতার ঘোষণা যেভাবে সারা দেশে পৌঁছে দেয় ইপিআর, (বিজিবির ওই সময়কার নাম) পিলখানায় সেই কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
 
এ সময় নারী সৈনিকদের প্যারেডের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেয়েরা অনেক স্মার্ট, নারী সৈনিকদের দক্ষতায় আমি মুগ্ধ।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় বিজিবি সদর দফতরে বীরউত্তম আনোয়ার হোসেন প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন৷ তিনি আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। বীরত্বপূর্ণ ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে, এবার ৪ ক্যাটাগরিতে পদকপ্রাপ্ত ৭২ বিজিবি সদস্যকে পদক পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।