• সোমবার ২২ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ৯ ১৪৩১

  • || ১২ শাওয়াল ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সর্বদা প্রস্তুত : প্রধানমন্ত্রী দেশীয় খেলাকে সমান সুযোগ দিন: প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলার মধ্য দিয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রপতি শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা নেই: প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশুপালন ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের তাগিদ জাতির পিতা বেঁচে থাকলে বহু আগেই বাংলাদেশ আরও উন্নত হতো মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রতি নজর রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী আজ প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ উদ্বোধন করবেন

বাংলাদেশের জাহাজভাঙা শিল্পে ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ৪ মার্চ ২০২৪  

নরওয়ের রাষ্ট্রদূত এসপেন রিকটার ভেন্ডসেন বলেছেন, বিগত দিনের তুলনায় বাংলাদেশের জাহাজভাঙা শিল্পে ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে। নরওয়ে এ শিল্পের উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতা করছে। সরকারের সহযোগিতা দরকার। আমরা প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। নরওয়ের জাহাজ মালিকরা আগ্রহী হচ্ছেন বাংলাদেশে শিপ রিসাইক্লিং করতে।

রোববার (৩ মার্চ) সীতাকুণ্ডের শীতলপুরের কবির শিপ রিসাইক্লিং ফ্যাসিলিটিজ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন নরওয়ের সাবেক ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট মিনিস্টার এরিক সোলেইমি, ঢাকার নরওয়ে দূতাবাসের সিনিয়র অ্যাডভাইজর মোরশেদ আহমেদ, কেএসআরএমের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক করিম উদ্দিন, পরিচালক আবদুল করিম দুলাল, কবির গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেরুল করিম, গণমাধ্যম উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম, ইয়ার্ড সমন্বয়ক নেভাল ইঞ্জিনিয়ার আল আমিন ও টেকনিক্যাল সমন্বয়ক পার্থ সারথী গুহ।

নরওয়ের সাবেক ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট মিনিস্টার এরিক সোলেইমি বলেন, জাহাজ ভাঙা শিল্পে চমৎকার উন্নয়ন হয়েছে। ২০১০ সালে এ শিল্প দেখতে এসেছিলাম। বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানাই হংকং কনভেনশন বাস্তবায়নের জন্য।

কবির গ্রুপের সিইও মেহেরুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, গ্রিন ইয়ার্ড করার জন্য ২০১৪ সালের জুলাই থেকে কাজ শুরু করি আমরা। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক আমাদের জানিয়েছিল ইয়ার্ডের উন্নয়ন করতো হবে। তখন আমরা গ্রিন সার্টিফিকেট পেতেও কাজ শুরু করি। ২০২২ সালের অক্টোবরে প্রথম গ্রিন সার্টিফিকেট পাই। এখন তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রিন সার্টিফিকেট পেয়েছি।

গ্রিন ইয়ার্ড করার খরচ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুই ধরনের খরচ। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং আর্থিক বিনিয়োগ। আমরা যন্ত্রপাতি কিনেছি। জনবল প্রশিক্ষণ দিয়েছি। ৩০ কোটি খরচ হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য পরিবেশ ও জনশক্তির নিরাপত্তা।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ মুহূর্তে লোকাল মার্কেটে স্ক্র্যাপের ডিমান্ড কম। ডলারের সংকটে জাহাজ আমদানিও কম। এ সুযোগে বেশিরভাগ ইয়ার্ড ডেভেলপ হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সৌভাগ্যবশত বাংলাদেশে এ শিল্পে স্ক্র্যাপের পাত, টুকরা লোড আনলোড করছি অটোমেটিক, ম্যাকানিকাল। ৭৮০ দিনে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। সরকার থেকে সহযোগিতা দরকার। টিএসডিএফ করতে হবে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটা করতে হবে।

উল্লেখ্য, কবির শিপ রিসাইক্লিং ফ্যাসিলিটিজ আইএসও সার্টিফাইড, এইচকেসি ২০০৯ কমপ্লায়েন্ট গ্রিন শিপ রিসাইক্লিং ফ্যাসিলিটি ভুক্ত এবং হংকং কনভেনশন অনুসারিত নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ফ্যাসিলিটিভুক্ত।