• সোমবার ২২ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ৯ ১৪৩১

  • || ১২ শাওয়াল ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সর্বদা প্রস্তুত : প্রধানমন্ত্রী দেশীয় খেলাকে সমান সুযোগ দিন: প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলার মধ্য দিয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রপতি শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা নেই: প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশুপালন ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের তাগিদ জাতির পিতা বেঁচে থাকলে বহু আগেই বাংলাদেশ আরও উন্নত হতো মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রতি নজর রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী আজ প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ উদ্বোধন করবেন

৪ মার্চ থেকে দেশ কার্যত চলেছিল বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ৪ মার্চ ২০২৪  

১৯৭১ সালের ১লা মার্চ। পাকিস্তানের সামরিক শাসক প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জাতীয় সংসদের পূর্বনির্ধারিত অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করলে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে দেশের বাঙালি জনগণ। এই অন্যায়ের প্রতিবাদে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে নির্বাচিত বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সামরিক সরকারের সঙ্গে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের আহবান জানান।

বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সব শ্রেণির মানুষের পাশাপাশি সাড়া দিয়েছিলেন তখনকার পূর্ব পাকিস্তানে থাকা, রেডিও পাকিস্তানের ছয়টি বেতার কেন্দ্রের কর্মীরা। ৪ঠা মার্চ প্রতিষ্ঠানের নাম 'রেডিও পাকিস্তান, ঢাকা কেন্দ্রের' নাম বদল করে ঘোষণা করা হয় 'ঢাকা বেতার কেন্দ্র। প্রচার শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলনভিত্তিক অনুষ্ঠানমালা।

একই সঙ্গে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, সিলেট ও খুলনা কেন্দ্রও এই পদক্ষেপ অনুসরণ করে। ঢাকা বেতার কেন্দ্রের তৎকালীন অনুষ্ঠান সংগঠক আশফাকুর রহমান খান জানান, '৪ঠা মার্চ রেডিও পাকিস্তান নাম বর্জন করে নতুন নাম রাখা হয় 'ঢাকা বেতার কেন্দ্র। যার মাধ্যমে অসহযোগ আন্দোলনভিত্তিক অনুষ্ঠান প্রচারে আসে ভিন্ন মাত্রা। ঢাকা বেতার কেন্দ্রের সঙ্গে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, সিলেট ও খুলনা বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠানে প্রচার হচ্ছিলো, ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের আহ্বান।

প্রকৃতপক্ষে ৪ঠা মার্চ থেকেই বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে চলতে থাকে তখনকার পূর্ব পাকিস্তানের কর্মকাণ্ড। এক বিবৃতিতে তিনি, সরকারি বেসরকারি কর্মচারীদের বেতনের সুবিধার্থে দুই ঘন্টা করে ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত দেন। এতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা অন্য কোনো মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের বাইরে কোনো টাকা পাঠানো যাবে না।
এই দিনের ঘটনাপ্রবাহ ত্বরান্বিত করে বাঙালির সর্বাত্মক স্বাধীনতা সংগ্রাম। সুশাসন ও নাগরিক মর্যাদার এক সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ অর্জনে দেশবাসী হয়েছিল আরও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।