• রোববার ২৬ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১১ ১৪৩১

  • || ১৭ জ্বিলকদ ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প সম্পন্ন হবে

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ৬ মে ২০২৩  

মাদারীপুর প্রতিনিধি: মন্ত্রী পরিষদ সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন বৃহস্পতিবার পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি প্রকল্পর অগ্রগতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন ও নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প সমাপ্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বলে প্রেস রিলিজের মাধ্যমে সিএসসি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়।

প্রেস রিলিজে জানানো হয়, মন্ত্রী পরিষদ সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন বৃহস্পতিবার সকালে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প পরিদর্শন করেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিক সচিব মুন্সিগঞ্জের মাওয়া স্টেশন পরিদর্শন করেন। এসময় মাওয়া-ভাঙ্গা সেকশনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাওয়া স্টেশনের কাজের অগ্রগতি ও বিভিন্ন দিক নিয়ে বিফ্রিং করেন। বিফ্রিং শেষে সকাল ১০ টার দিক সচিব অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিয়ে মাওয়া স্টেশন থেকে ট্রাক কার যোগে পদ্মা রেল সেতু পাড়ি দিয়ে শিবচরের পদ্মা স্টেশনে আসেন। পদ্মা স্টেশনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সচিব ও কর্মকর্তারা। এরপর জাজিরার সার্ভিস এরিয়া-৩ আর্মি ক্যাম্পের কনফারেন্স কক্ষে সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি কত্তৃক রেল সংযোগ প্রকল্পের সামগ্রিক কাজের অগ্রগতি ও বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করা হয়। দুপুর ১ টার দিক ভাঙ্গা জংশন স্টেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে বিফ্রিং করেন প্রকল্প কর্মকর্তারা। ব্রিফ্রিং শেষে দুপুর দেড় টার দিক যশোরের উদ্দ্যেশে রওনা করেন সচিবসহ কর্মকর্তারা।

প্রেস রিলিজে আরো জানানো হয়, মন্ত্রী পরিষদ সচিব প্রকল্পর কাজের অগ্রগতি দেখে অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন। তিনি আশা করেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি সমাপ্ত হবে এবং প্রকল্পর সুফল জনগন ভোগ করতে পারবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি স্বপ্নের প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট থাকার সুযোগ পাওয়া অত্যন্ত গৌরবের বিষয় বলে উল্ল্যেখ করে তিনি সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। এসময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সিএসসির প্রধান সমন্বয়ক, রেলওয়ের সচিব, মহাপরিচালক, পিবিআরএলপির প্রকল্প পরিচালক, উপ প্রধান সমন্বয়ক সিএসসি পিবিআরএলপি, সিআরইসির প্রকল্প পরিচালকসহ রেলওয়ে ও সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, প্রকল্পর ঢাকা-মাওয়া অংশের অগ্রগতি ৭৫.২৩ ভাগ, মাওয়া-ভাঙ্গা অংশের অগ্রগতি ৯৩.৭৮ ভাগ, ভাঙ্গা –যশোর অংশের অগ্রগতি ৭০.৫৭ ভাগ , মোট অগ্রগতি ৭৭.৩৬ ভাগ।