• সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ২০ ১৪৩০

  • || ২২ শা'বান ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
আব্দুল কাদের জিলানীর (র.) মাজার জিয়ারতে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ নির্বাচনে যথাযথ দায়িত্ব পালন করায় ডিসিদের ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীর ভোক্তাদের যেন হয়রানি হতে না হয়, সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে বাজারে নজরদারি-মজুত ঠেকাতে ডিসিদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শান্তিরক্ষা মিশনে অবদান রেখে সুনাম বয়ে আনছে সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনীকে সক্ষম করে তোলা হচ্ছে বেইলি রোডে অগ্নিকান্ড কবলিত ভবনে ফায়ার এক্সিট না থাকায় হতাশ নতুন নতুন অপরাধ দমনে পুলিশকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ ‘কোনো একটি জিনিস না খেলে রোজা হবে না, এ মানসিকতা পাল্টাতে হবে’ পণ্যমূল্য সহনীয় রাখতে সরকারের পাশাপাশি জনগণেরও নজরদারি চাই

পরিচ্ছন্নতাকর্মীর হলফনামায় ২০ ভরি স্বর্ণ!

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ৯ ডিসেম্বর ২০২৩  

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে প্রার্থী হয়ে আলোচনায় আসেন স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী মোসাম্মৎ রোকেয়া বেগম। গণমুক্তি জোট থেকে বৈধতা পাওয়া এই প্রার্থীর হলফনামার তথ্য নিয়ে নিজের মধ্যেই দেখা দিয়েছে সংশয়।

নির্বাচন কমিশনে তার দাখিল করা হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে স্বশিক্ষিত দেখানো হয়েছে। এছাড়া নিজেকে খামারি উল্লেখ করে বাৎসরিক আয় দেখানো হয়েছে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে নগদ টাকার পরিমাণ দেখানো হয় ৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

হলফনামার তথ্য সময় সংবাদের হাতে এলে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে চমকে যান প্রার্থী নিজেই। নিজের হলফনামায় লেখা টাকার পরিমাণ সম্পর্কে নিজেই অবগত নয় বলে জানান সংসদ সদস্য প্রার্থী পরিচ্ছন্নতাকর্মী রোকেয়া বেগম নিজেই। এছাড়া হলফনামায় স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ক্যাটাগরিতে দেখানো হয়েছে ২০ ভরি স্বর্ণ, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকার ও ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী ৫০ হাজার টাকার। এই তথ্য সম্পর্কেও কিছুই জানেন না প্রার্থী। তার আত্মীয় এই হলফনামার তথ্য পূরণ করেছে বলে জানান তিনি।

এছাড়া তার দুলাভাই হামিদুল ইসলামের উৎসাহ ও পরামর্শেই এমপি প্রার্থী হওয়ার কথা জানান পরিচ্ছন্নতাকর্মী মোসাম্মৎ রোকেয়া বেগম।

ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাটের গাজিরভিটা ইউনিয়নের বোয়ালমারা গ্রামের বাসিন্দা তিনি। ভ্যানচালক স্বামীসহ তার দুই সন্তান রয়েছে।

বেগম রোকেয়া জানান, তিনি স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে ও কখনও অন্যের বাসায় কাজ করে চলে সংসার চালান। স্বল্প বেতনে কোনোমতে দুই সন্তানের এ সংসার পরিচালনা করেন তিনি। ভ্যান চালক স্বামী পরিবারের ভরণ পোষণের কোনো খোঁজ খবর রাখেন না।

যার নুন আনতে পান্তা ফুরায় তার সংসদ নির্বাচন করাটাকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করছেন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করতে যে লোক সক্ষম নয় তার জনপ্রতিনিধি হওয়ার জন্য প্রার্থী হওয়াকে নির্বাচন নিয়ে তামাশা করা বলে মন্তব্য করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।