• সোমবার ০৪ মার্চ ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ২০ ১৪৩০

  • || ২২ শা'বান ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
বিজিবি দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আব্দুল কাদের জিলানীর (র.) মাজার জিয়ারতে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ নির্বাচনে যথাযথ দায়িত্ব পালন করায় ডিসিদের ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীর ভোক্তাদের যেন হয়রানি হতে না হয়, সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে বাজারে নজরদারি-মজুত ঠেকাতে ডিসিদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শান্তিরক্ষা মিশনে অবদান রেখে সুনাম বয়ে আনছে সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনীকে সক্ষম করে তোলা হচ্ছে বেইলি রোডে অগ্নিকান্ড কবলিত ভবনে ফায়ার এক্সিট না থাকায় হতাশ নতুন নতুন অপরাধ দমনে পুলিশকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ ‘কোনো একটি জিনিস না খেলে রোজা হবে না, এ মানসিকতা পাল্টাতে হবে’

আজ দাউদকান্দি মুক্ত দিবস

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ৯ ডিসেম্বর ২০২৩  

আজ ৯ ডিসেম্বর কুমিল্লার বৃহত্তর দাউদকান্দি উপজেলা মুক্ত দিবস। ১৯৭১সালের এই দিনে পাকহানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার-আলবদরদের কবল থেকে তৎকালীন দাউদকান্দি উপজেলার অন্তর্ভূক্ত বর্তমান মেঘনা উপজেলা ও তিতাস উপজেলা মুক্ত হয়।

১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর ফজর নামাজের পর দাউদকান্দি (মেঘনা-তিতাস) উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা পালের বাজার নন্দীবাড়ী, গোয়ালমারী, পাঁচগাছিয়া, মোহাম্মদপুর, চরগোয়ালী, বাতাকান্দি, বড়কান্দা, রামপুর বাজার এসব ক্যাম্প থেকে মুক্তিযোদ্ধা কোম্পানী কমান্ডার মো. নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে শহীদনগর ওয়ারলেস ক্যাম্পে পাকহানাদার বাহিনীর উপর আক্রমন শুরু করে। এসময় পাকহানাদার বাহিনী পিছু হটে শেষ আশ্রয়স্থল প্রধান ঘাঁটি দাউদকান্দির সড়ক ও জনপথের ডাকবাংলোতে আশ্রয় নেয়।

৮ ডিসেম্বর গভীর রাতে মুক্তিযোদ্ধারা বুকে সাহস নিয়ে চারদিক থেকে আক্রমন শুরু করলে ৯ ডিসেম্বর সকালে পাকহানাদার বাহিনী, তাদের দোসররা তাদের প্রধান ঘাঁটি সড়ক ও জনপথের ডাকবাংলো থেকে গোমতী নদী দিয়ে লঞ্চ যোগে ঢাকা পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর দাউদকান্দি (মেঘনা-তিতাস) পাকহানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয়। এদিন বীর মুক্তিযোদ্ধারা, মিত্রবাহিনী ও জনতার উপস্থিতিতে বৃহত্তর দাউদকান্দির মাটিতে উড়িয়ে দেয় স্বাধীন বাংলাদেশের বিজয় পতাকা।

দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে দাউদকান্দি উপজেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সকাল ১০টায় মুক্তিযোদ্বা কমান্ড অফিসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বিজয় র‌্যালী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।