• মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ১৪ ১৪৩০

  • || ১৬ শা'বান ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
অপরাধের ধরন বদলাচ্ছে, পুলিশকেও সেভাবে আধুনিক হতে হবে পুলিশ সপ্তাহ শুরু, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে পুলিশ নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের পরীক্ষায় বারবার উত্তীর্ণ হয়েছে পুলিশ জনগণের আস্থা অর্জন করলে ভোট পাবেন: জনপ্রতিনিধিদের প্রধানমন্ত্রী জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে উন্নয়ন কাজের ব্যবস্থাটা আমরা নিয়েছিলাম কেউ যেন ভুয়া ক্লিনিক-চিকিৎসকের দ্বারা প্রতারিত না হন: রাষ্ট্রপতি স্থানীয় সরকার বিভাগে বাজেট বরাদ্দ ৬ গুণ বেড়েছে: প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকারকে মাটি-মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়তে হবে শবে বরাতের মাহাত্ম্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের কাজে আত্মনিয়োগের আহ্বান

নানা কর্মসূচিতে ঝালকাঠি মুক্ত দিবস পালিত

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ৮ ডিসেম্বর ২০২৩  

ঝালকাঠি ও নলছিটি মুক্ত দিবস উপলক্ষে আয়োজন করা হয় র‌্যালি ও আলোচনা সভার। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন আমু এমপি। নলছিটি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডাকে সারা দিয়ে দেশের মানুষ ঝাপিয়ে পড়েছিল পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর। আজকে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় চিন্তা করেন। তাদের যেভাবে ভালো রাখা যায়, সে ব্যবস্থা করেছেন। ভাতা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন, যাতে মুক্তিযোদ্ধারা পরিবার পরিজন নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারে।
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার হাবিবুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির।
মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত ঝালকাঠির নিয়ন্ত্রণ ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে। ২৭ এপ্রিল হেলিকপ্টার থেকে অবিরাম বোমাবর্ষণ ও গানবোর্ড থেকে কামানের গোলা নিক্ষেপ করতে করতে পাকবাহিনী ঝালকাঠি আক্রমন করে। হানাদার বাহিনী শহরের দখল নিয়ে ‘দ্বিতীয় কোলকাতাখ্যাত’ দেশের বৃহত্তম এ বানিজ্য বন্দরে আগুন লাগিয়ে দেয়। এর পর থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজাকার, আলবদর, আলসামস বাহিনীর সহায়তায় নির্বিচারে গনহত্যা, লুট-পাট, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগ চালানো হয় নিরিহ মানুষের ওপর। ৭ ডিসেম্বর বিকেলে ঝালকাঠি শহরের কাঠপট্টি চরে ২৭-২৮ জনের একটি রাজাকারের দল স্থানীয় জনতা আটক করে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে সোপর্দ করে। মুক্তিযোদ্ধারা ঝালকাঠি থানা ঘেরাও করলে ওসিসহ সকল পুলিশ সদস্য মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে অস্ত্র সমর্পন করে। মুক্ত হয় ঝালকাঠি। একই দিন পাকহানাদার মুক্ত হয় নলছিটি উপজেলা।