• বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৩০ ১৪৩১

  • || ০৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিতে সকল খাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করতে হবে শিশুশ্রম নিরসনে প্রত্যেককে আরো সচেতন হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়িদের প্রতি নিয়ম নীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান বিনামূল্যে সরকারি বাড়ি গৃহহীনদের আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীকে বদলে যাওয়া জীবনের গল্প শোনালেন সুবিধাভাগীরা আশ্রয়ণের ঘর মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি তৈরি করে দেব : প্রধানমন্ত্রী নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাচ্ছে সাড়ে ১৮ হাজার পরিবার

বরিশালে ধানের বাম্পার ফলন, খুশি কৃষক

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ২১ মে ২০২৪  

বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায়ই চলতি বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধানের ভালো ফলন পেয়ে খুশি চাষিরা। তীব্র তাপপ্রবাহ ও শ্রমিক সংকটেও থেমে নেই কৃষকরা পুরোদমে চলছে ধান কাটা। বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে , এখন পর্যন্ত বিভাগের প্রায় ৭০ শতাংশ ধান ঘরে তুলতে পেরেছেন কৃষকেরা।

সূত্র মতে, বরিশাল বিভাগে এবার দুই লাখ ১২ হাজার ২৪৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে এক লাখ ৩০ হাজার ১২৪ হেক্টরে উফসী এবং দুই হাজার ৩৯৪ হেক্টরে দেশি জাতের এবং ৭৯ হাজার ৭২৭ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড, বোরো ধান রোপণ হয়েছে। এ পর্যন্ত বিভাগের এক লাখ ২৮ হাজার ৫৩২ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৭১ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে ভোলা জেলায়। এ জেলায় ৬৬ হাজার ৬৮৪ হেক্টর জমিতে ধান আবাদ হয়।

বিভাগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে বরিশাল জেলায়। এ জেলায় ৬৩ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে ধান আবাদ হয়। এর মধ্যে ৪৪ হাজার ২৭৬ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। বরিশাল জেলায় আবাদ করা হাইব্রিড জাতের আবাদ করা ৩০ হাজার ৯৮০ হেক্টরের মধ্যে ২৬ হাজার ৬৪৩ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে।

বরিশাল সদর উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিনয় ভূষণ মণ্ডল জানিয়েছেন, ‘চরাঞ্চলে স্থানীয় জাতের ধান আবাদ করা হয়েছে। স্থানীয় জাতের ধান একটু আগেই রোপণ করা হয়েছিল। তাই আগেই ধান তুলতে পেরেছেন কৃষকেরা। হাইব্রিড ও উফসী জাতের ধান একটু দেরিতে রোপণ করায় এখনও কাটা শেষ হয়নি।

এ কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘এ বছর ধানের ফলন ভালো হয়েছে। স্থানীয় জাতের ধানের উৎপাদন হেক্টর প্রতি আড়াই থেকে তিন মেট্রিক টন, হাইব্রিড জাতের উৎপাদন হেক্টর প্রতি সাড়ে ৫ থেকে ৬ এবং উফসী জাতের ৫ থেকে সাড়ে ৫ মেট্রিক টন।

এদিকে বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ হাজার ১৮০ মেট্রিক টন ধান বেশি উৎপাদন হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকা ও জমিতে সেচের পানি সরবরাহ থাকায় কৃষকেরা সঠিকভাবে সেচ দিতে পেরেছেন। আর এ কারণে তাদের ফসলের উৎপাদনও বেড়েছে।

বিভাগের ধান কাটার সবশেষ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ঝালকাঠি জেলায় আবাদ হয়েছে ১৩ হাজার ৭৫০ হেক্টরে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৭৭৫ হেক্টরের ধান কাটা হয়েছে। সবচেয়ে কম ৩৯ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে বরগুনা জেলায়। এছাড়া পিরোজপুরে রোপনকৃত অর্ধেক ধান কাটা হয়েছে। পটুয়াখালী জেলায় আবাদের ৪০ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে।

কৃষি বিভাগ বলছে বরিশাল বিভাগে, এবার বোরো ধান থেকে ৫ লাখ ৯৬ হাজার ১৬৭.৫ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই লাখ ৯২ হাজার ৩৫৩.৪ মেট্রিক টন হাইব্রিড, ৩ লাখ ১৩০ মেট্রিক টন উফসী এবং ৩ হাজার ৬৮৪ মেট্রিক টন চাল স্থানীয় জাতের।