• শুক্রবার   ১২ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৮ ১৪২৯

  • || ১৪ মুহররম ১৪৪৪

মাদারীপুর দর্পন

ওষুধি গুণে ভরপুর আদা যখন বিপদের কারণ

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ৭ জুন ২০২২  

রান্নার স্বাদ বাড়াতে বিভিন্ন ধরনের মশলা ব্যবহার হয়ে থাকে। যার মধ্যে আদা খুবই জনপ্রিয়। মাংস রান্নায় আদা ছাড়া চিন্তাই করা যায় না। শুধু তাই নয়, আদার রয়েছে নানান ওষুধি গুণও। নিয়মিত আদা খেলে যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে লড়াই করা সহজ হয়।

তবে জানেন কী বেশি আদা খাওয়া কারো কারো স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ খারাপ! অনেকের জন্য বেশি আদা খাওয়া ভয়ংকর বিপদের কারণ হতে পারে। চলুন জেনে নেয়া যাক অতিরিক্ত আদা খাওয়ার অপকারিতা-

হার্টের সমস্যা

অতিরিক্ত আদা খাওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা দিতে পারে হৃদযন্ত্রের গতি বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা। এছাড়া ঝাপসা দৃষ্টিশক্তি, অনিদ্রাও হতে পারে আদা অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে। এভাবে রক্তচাপের ওঠানামার ফলে হৃদরোগ দেখা দিতে পারে। তাই হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে আদা খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক হোন।

ত্বকের সমস্যা

ত্বকে সমস্যা সৃষ্টির জন্য বাইরের ধুলোবলি কিংবা রোদ তো দায়ী থাকেই, সেইসঙ্গে দায়ী থাকে আমাদের খাদ্যাভ্যাসও। যেমন ধরুন অতিরিক্ত আদা খাওয়ার কারণে চোখ ও ত্বকে দেখা দিতে পারে সংক্রমণ। হতে পারে ঠোঁট ফুলে ওঠা, গলায় অস্বস্তির মতো সমস্যাও। এমন ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

রক্তক্ষরণের ঝুঁকি

আদায় থাকে অ্যান্টিপ্লেটলেট বৈশিষ্ট্য। যে কারণে অতিরিক্ত আদা খেলে তা হতে পারে রক্তক্ষরণের কারণ। রসুন ও লবঙ্গের সঙ্গে আদা খেলে রক্তপাতের ঝুঁকি আরো বেড়ে যায়। তাই এ ধরনের সমস্যা এড়াতে অতিরিক্ত আদা খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

ডায়রিয়ার ঝুঁকি

খাবারে অনিয়ম করলে বাড়ে ডায়রিয়ার ঝুঁকি। এমনকি উপকারী খাবার অতিরিক্ত খেলেও এই সমস্যা হতে পারে। তাই খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে থাকতে হবে সতর্ক। আদা অতিরিক্ত খেলে তাও কিন্তু ডেকে আনতে পারে ডায়রিয়াকে। তাই আদা খাওয়া বা রান্নায় আদা ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখুন।

ওজন বৃদ্ধিতে বাধা

ওজন বৃদ্ধিতে বাধা দেয় আদা। আদা খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে যা একদিক দিয়ে ভালো। কিন্তু আন্ডারওয়েট ব্যক্তির জন্য তা ভালো না। যদি কারও ওজন কম হয়, সেক্ষেত্রে আদার খুবই কম খাওয়া উচিত। কারণ, আদায় ফাইবার থাকে প্রচুর পরিমাণে, যা শরীরের পিএইচ লেভেল বাড়াতে সাহায্য করে। এর ফলে হজমের প্রক্রিয়া খুবই ভালো হয়। কিন্তু অতিরিক্ত মাত্রায় পিএইচ লেভেল বাড়লে ওজন আরও কমতে থাকে।