• শুক্রবার   ২০ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৬ ১৪২৯

  • || ১৮ শাওয়াল ১৪৪৩

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:

আড়াই শ’ বছর পেছনে ফিরছে বিটিভি

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি ২০২২  

এখন থেকে প্রায় আড়াই শ’ বছর পেছনে ফিরছে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বিটিভি। যার মধ্যদিয়ে উঠে আসবে ঢাকার অষ্টাদশ শতাব্দীর ইতিহাস। বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) জন্য নাট্যজন মামুনুর রশীদ রচনা করেছেন ‘জিন্দাবাহার’ নামে দীর্ঘ একটি ধারাবাহিক নাটক। প্রযোজনা ও নির্দেশনায় রয়েছেন ফজলে আজিম জুয়েল।

আগামী ১৬ জানুয়ারি থেকে প্রচার শুরু হচ্ছে তারকাবহুল ৫২ পর্বের এই ধারাবাহিকটি। নিশ্চিত করেছে বিটিভি কর্তৃপক্ষ। সপ্তাহে প্রতি রবি, সোম ও মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় প্রচার হবে এটি।

ধারাবাহিকটিতে একসঙ্গে দেখা মিলবে জনপ্রিয় সব তারকাদের। অভিনয় করেছেন মামুনুর রশীদ, লুৎফর রহমান জর্জ, আজাদ আবুল কালাম, আহমেদ রুবেল, অনন্ত হীরা, শতাব্দী ওয়াদুদ, শাহ আলম দুলাল, সমু চৌধুরী, শামীম ভিস্তি, শ্যামল জাকারিয়া, রোজী সিদ্দিকী, মুনিরা বেগম মেমী, নাজনীন চুমকি, শর্মীমালা, নাইরুজ সিফাত, নিকিতা নন্দিনী, আলিফ চৌধুরী, সাদমান প্রত্যয়, ইউসুফ রাসেল, শাকিলসহ আরও অনেকে।

নাটকটির রচয়িতা ও অভিনেতা মামুনুর রশীদ বলেন, ‘ঢাকা শহরটা খুব অভাগিনী। কয়েকবার রাজধানী পরিবর্তিত হয়েছে। ঢাকার দুঃখ-দুর্দশা নিয়ে গবেষণা হলেও সেভাবে কোনও টিভি ফিকশন হয়নি। একসময় জিঞ্জিরা প্রাসাদও ঝলমলে ছিল। পরবর্তীকালে পরিত্যক্ত হয়ে যায়। রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তরিত হলে ঢাকাও একসময় পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। আড়াই শ’ বছর আগে ঢাকার অবস্থা কেমন ছিল? এসবেরই প্রতিচ্ছবি আছে এই নাটকে। আমাদের ঢাকার অনেক করুণ ইতিহাস আছে। আমার অনেকদিনের ইচ্ছে ছিল তা নিয়ে কিছু লেখা। সেই প্রয়াস থেকেই এটি লেখা। জিন্দা মানে জীবিত আর বাহার হলো বসন্ত। আসলে ঢাকা একটা জীবিত বসন্তের জায়গা।’

নির্মাতা ফজলে আজিম জুয়েল জানান, ‘২০০ বা ৩০০ বছর আগের ইতিহাস নিয়ে বাংলা নাটক কিংবা টেলিভিশন চ্যানেলে সেভাবে কাজ হয়নি। সে সময়ের ঢাকা আমাদের কাছে অনেকটাই অজানা। দীর্ঘ এই ধারাবাহিকের মধ্য দিয়ে এ সময়ের দর্শকরা অষ্টাদশ শতাব্দীর ঢাকাকে জানতে পারবে। শেষ নবাবের মৃত্যুর পর আট বছর কারাবন্দি ছিলেন নবাবের আপনজনেরা। আমরা এই আট বছরের গল্পটাই দেখাবো।’

এই ধারাবাহিকে দর্শকরা কী নতুনত্ব পাবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নাটকের সব কাজই হয়েছে ইনডোরে। আড়াই শ’ বছর আগের এই গল্পটা দেখাতে গিয়ে আমরা ডিফারেন্ট লাইটিং প্যাটার্ন, দুর্দান্ত সেট ডিজাইন ও ভিএফএক্স প্রযুক্তির ব্যবহার করেছি। আমাদের টেলিভিশন নাটকে এটার ব্যবহার নেই বললেই চলে। ফোর-কে প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই নাটকটি সিনেম্যাটিকভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি। সবমিলিয়ে দর্শকরা ভালো একটা কাজ উপভোগ করতে পারবে।’