• সোমবার   ২৮ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৪ ১৪২৯

  • || ০৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

মাদারীপুর দর্পন

‘ব্যবসা-বাণিজ্যের চমৎকার গন্তব্য হতে পারে ইউনান প্রদেশ’

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২  

ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেছেন, বাংলাদেশের জন্য চীনের সব থেকে নিকটবর্তী প্রদেশ হলো ইউনান। বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের চমৎকার গন্তব্য হতে পরে ইউনান। সেখানকার সংস্কৃতি, ভূপ্রকৃতি, পাহাড়, প্রাকৃতিক পরিবেশ, বৈচিত্র্যময় কালচার ও সারা পৃথিবীর পর্যটকদের আকৃষ্ট করে।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। ‘কালারফুল ইউনান’ নামে এ ইভেন্টে ইউনান প্রদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও লাইফস্টাইল পণ্যের প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে একবার গিয়েছিলাম, দেখে মুগ্ধ হয়েছি। ইউনানেন ৮০ শতাংশ পাহাড়ি। জনসংখ্যা কম, মাত্র পাঁচ কোটি। সেখানে এক হাজার প্রজাতির ফুল চাষ হয়। পর্যটনের অসাধারণ জায়গা তৈরি হয়েছে। চীনের ইউনানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য আরও প্রসার হতে পারে। বাংলাদেশ-ইউনানের সঙ্গে অনেক কিছুর মিল রয়েছে। চীন ও বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর হোক এই কামনা করি।

ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, এটা আনন্দঘন মুহূর্তে কালারফুল ইউনান অনুষ্ঠানে আমরা মিলিত হয়েছি। আমার জন্মও ইউনানে। বাংলাদেশ ও ইউনানের দূরত্ব কিন্তু খুব বেশি না, আকাশপথে মাত্র দুই ঘণ্টা। ইউনানের কালারফুল ভূপ্রকৃতি, পাহাড় , প্রাকৃতিক পরিবেশ, বৈচিত্র্যময় কালচার ও খাবার পর্যটকদের সহজেই আকর্ষণ করে। বাংলাদেশ ও ইউনানের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হতে পারে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, ফুডসহ নানা বিষয়ে বাংলাদেশ-ইউনান বিনিময় হতে পারে।

ইউনান প্রদেশ থেকে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন চীনের বেইজিংয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের ইউনান প্রদেশের অনেক মিল রয়েছে। চা ছাড়া নানা অর্গানিক পণ্যের আদান-প্রদানের অন্যতম রুট হতে পারে বাংলাদেশ ও ইউনানের মধ্যে। প্রদেশটা অনেক সুন্দর, এখানের প্রকৃতি, পাহাড়, গাছপালা ও প্রাণি সম্পদের বৈচিত্র্য সবাইকে বিমোহিত করবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- চীনের ইউনান প্রদেশের গভর্নর এইচ.ই. ওয়াং ইউবো, বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনান কমার্শিয়াল রিপ্রেজেন্টেটিভ অফিসের ডিরেক্টর লি জিয়াও।