• বৃহস্পতিবার   ১১ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৬ ১৪২৯

  • || ১৩ মুহররম ১৪৪৪

মাদারীপুর দর্পন

বিএনপির শেখানো বক্তব্য দিয়েছেন খালেদার চিকিৎসকরা: তথ্যমন্ত্রী

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ২৯ নভেম্বর ২০২১  

বিএনপি যে বক্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে শিখিয়ে দিয়েছেন সেই বক্তব্যই খালেদা জিয়ার চিকিৎসকরা দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

সোমবার (২৯ নভেম্বর) ক্যাবল অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, কালকে আমি টেলিভিশনে দেখেছি জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ফরহাদ হালিম ডোনার বিবৃতি দিয়েছেন। ড্যাবের দপ্তর সম্পাদক ফখরুজ্জামান স্বাক্ষরিত আরেকটি বিবৃতি ছিল। আরেকজন ডাক্তার কালকে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এরা সবাই বিএনপির দলীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং ড্যাবের শীর্ষস্থানীয় নেতা। ডাক্তার সাহেব যেভাবে কথা বলেছেন, আমি তো ডাক্তার নই, তবে আমি কেমিস্ট। আমার বেসিক পড়াশোনা রসায়ন শাস্ত্রে।

‘ডাক্তার সাহেব যেভাবে কথা বলেছেন, যেন এটি শুধুমাত্র (খালেদা জিয়ার চিকিৎসা) ইউকেতে আছে, আর জার্মানি ও ইউএসএতে আছে। উনি ক্যাটাগরিক্যালি বলেছেন, ভারতে তো নেইই, সিঙ্গাপুর, ব্যাংককেও নেই। এখন ইউরোপের অনেক মানুষ সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা করতে আসেন। আমেরিকার অনেকেও সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা করতে আসেন। সারা দুনিয়ার অনেক মানুষ ব্যাংককেও চিকিৎসা করতে আসেন। ডাক্তার সাহেব কীভাবে বললেন যে সেখানে অবশ্যই নেই, শুধুমাত্র তারেক রহমান যেখানে আছে সেখানে চিকিৎসা আছে? ইউকে, জার্মানি আর ইউএসএতে চিকিৎসা আছে? এই কথার মাধ্যমে, ওনার বক্তব্যের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, গতকাল ডাক্তারা যে বক্তব্য দিয়েছেন সেগুলো বিএনপির শেখানো বক্তব্য।’

তিনি আরও বলেন, বিএনপি যে বক্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে শিখিয়ে দিয়েছেন সেই বক্তব্যই ডাক্তার সাহেবরা দিয়েছেন। যেসব ডাক্তার বিবৃতি দিয়েছেন এবং সংবাদ সম্মেলন করেছেন তাদের বেশিরভাগই বিএনপির দলীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এখন বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনীতিটা বিএনপি নেতাদের কাছ থেকে ডাক্তারদের মধ্যেও নিয়ে গেছেন। গতকালের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এটিও প্রমাণিত হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারকে হুমকি দিয়ে বলেছেন দেশে বিশৃঙ্খলা না চাইলে খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য অনুমতি দিতে হবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ড. হাছান বলেন, বিএনপি মহাসচিব যদি এ কথা বলে থাকেন এজন্য তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হতে পারে বলে আমি মনে করি। কারণ উনি যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা করছেন উনি নিজেই স্বীকার করেছেন, এটি একটি ফৌজদারি অপরাধ। ওনারা অতীতে অনেক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন, দেশের মানুষ তাদের আর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেবে না।