• সোমবার   ৩০ জানুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৬ ১৪২৯

  • || ০৮ রজব ১৪৪৪

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
সারদায় কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন সারদায় প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের জন্য নিরাপদ মাতৃভূমি করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ প্রধানমন্ত্রী আরসিসির ৭ উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন আজ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যাচ্ছেন ৪৬০ পুলিশ কর্মকর্তা বিএনপির দুর্নীতি নিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাস রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী ২৫ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন রোববার ডিজিটালাইজেশনে বাংলাদেশে বিপ্লব ঘটে গেছে : প্রধানমন্ত্রী আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে : বিদায়ি সুইস রাষ্ট্রদূতকে প্রধানমন্ত্রী

অতিরিক্ত কাজের চাপেও ভারসাম্য রাখবেন যেভাবে

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি ২০২৩  

দৈনন্দিন জীবনে আমাদের নানা কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। সেটা হোক অফিসে কিংবা ব্যবসার জন্য। কর্মক্ষেত্রে এই কাজের চাপে আমরা অনেক সময় নিজেদের ভারসাম্য হারিয়ে ক্লান্ত হয়ে যাই। এ ক্ষেত্রে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করলে কাজের চাপেও নিজেকে চাঙা রাখতে পারবেন।

কাজের চাপের মধ্যেও নিজের জীবনের ভারসাম্য রাখতে হবে এ কথা হরহামেশায় শোনা যায়। কিন্তু কীভাবে সেই ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে সেটা অনেকেই জানেন না। আর তাইতো ক্লান্ত হয়ে পড়েন অনেকে। আজকেই এই প্রতিবেদনে থাকছে কীভাবে কাজের চাপের মধ্যেও নিজের জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখবেন।

প্রথমত, আপনি যদি কোনো কাজের মধ্যে না থাকেন, তাহলে কাজের সঙ্গে জড়িত কোনো প্রকার যন্ত্রের ব্যবহার করবেন না। মোট কথা হচ্ছে ওই সময়টা প্রযুক্তির থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।

মানসিক অবসাদ কাটাতে প্রয়োজনে কোনো মনোবিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হতে পারে। এতে সুবিধা হতে পারে। আবার প্রয়োজন ও সুবিধামতো বিরতিও নিতে পারেন। বিরতি কাজেরই অংশ, প্রয়োজন বুঝে অল্প সময়ের বিরতি নিতে পারেন।

আর যদি অল্প বিরতিতে কোনো ফলাফল না আসে তাহলে একটু বড় 'বিরতি' নিয়ে কোথাও যেতে পারেন। ঘুরে আসতে পারেন। বা কাজের জায়গার সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে দিন। নিজের সঙ্গে সময় কাটান। নিজের মতো করে, প্রকৃতির কোলে কোথাও হলে সবচেয়ে ভালো।

শারীরিক ব্যায়াম আবার এক্ষেত্রে দুর্দান্ত কাজে দিতে পারে। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে নির্দিষ্ট মেডিটেশন করতে পারেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো যতই নিজেকে বিধ্বস্ত লাগুক না কেন সহকর্মী, বন্ধু বা ভরসার যে কোনো মানুষকে সে কথা জানান। নিজের মধ্যে গুটিয়ে না রাখাই ভালো হবে। এমনও হতে পারে আপনার কথা অন্যের কাছে বলায় নিজেকে হালকা লাগতে পারে ও একটি সমাধানও আসতে পারে।