• মঙ্গলবার   ৩০ নভেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৮

  • || ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৩

মাদারীপুর দর্পন

ফের উত্তাল পোল্যান্ড-বেলারুশ সীমান্ত

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ১৭ নভেম্বর ২০২১  

সীমান্ত এলাকায় আটকে থাকা শরণার্থীদের সঙ্গে পোলিশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সংঘর্ষে ফের উত্তাল হয়ে উঠেছে পোল্যান্ড-বেলারুশ সীমান্ত। শরণার্থী ইস্যুতে গত সপ্তাহ থেকে পোলিশ-বেলারুশ সীমান্ত উত্তাল হয়ে ওঠে। 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও আলজাজিরা স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে।

ইরাক থেকে যাওয়া শরণার্থীদের বেআইনিভাবে ঢোকার ব্যবস্থা করে দেওয়া নিয়ে পোল্যান্ড সীমান্তে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে বেলারুশের বিরুদ্ধে। শরণার্থীদের সহযোগিতারও অভিযোগ রয়েছে দেশটির বাহিনীর বিরুদ্ধে। তবে বেলারুশ এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে। গত সপ্তাহ থেকেই তীব্র শীত ও ঠান্ডা আবহাওয়ার মধ্যে ওই দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছেন হাজার হাজার শরণার্থী। প্রাণের সঙ্গে লড়াই করছেন হাজার হাজার শরণার্থী। আটকে পড়া এসব শরণার্থীদের বেশিরভাগই ইরাক থেকে যাওয়া। সীমান্তের ওই এলাকায় নেই খাবার, এমনকি প্রয়োজনীয় পানিরও সংকট রয়েছে।

পোল্যান্ডের ন্যাশনাল ডিফেন্স মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সীমান্তের বেলারুশ অংশে আটকে থাকা শরণার্থীরা কুজনিকা বর্ডার পার হওয়ার চেষ্টা করে এবং পোলিশ নিরাপত্তারক্ষীদের ওপর পাথর নিক্ষেপ করে। জবাবে শরণার্থীদের বিরুদ্ধে জলকামান ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। 

পোলিশ এই মন্ত্রণালয়ের দাবি, ‘শরণার্থীরা পোল্যান্ডের সেনাদের ওপর পাথর দিয়ে হামলা করে এবং জোর করে পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করে। শরণার্থীদের আগ্রাসন রুখতে আমাদের বাহিনী টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করেছে।’

ইউরোপীয় ইউনিয়নকে অস্থিতিশীল করতে শরণার্থীদেরকে সীমান্তের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলেও বেলারুশের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে। 

এদিকে, সীমান্তে আটকে থাকা শরণার্থীদের ওপর পোল্যান্ডের নিরাপত্তারক্ষীদের টিয়ারগ্যাস ও জলকামান ব্যবহারের নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। বেলারুশের ঘনিষ্ঠ মিত্র এই দেশটি শরণার্থীদের ওপর শক্তিপ্রয়োগের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

মূলত বেলারুশ সীমান্ত দিয়ে পোল্যান্ডে ঢোকার চেষ্টা করা শরণার্থীদের অধিকাংশই ইরাকের নাগরিক। তাদের মধ্যে একটি বড় অংশ আবার জাতিগতভাবে কুর্দি। ইরাকি ছাড়াও সিরিয়া ও আফগানিস্তানের মানুষও সেখানে আছেন।