• শনিবার ২০ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ৫ ১৪৩১

  • || ১২ মুহররম ১৪৪৬

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ২১ জুলাই স্পেন যাবেন প্রধানমন্ত্রী আমার বিশ্বাস শিক্ষার্থীরা আদালতে ন্যায়বিচারই পাবে: প্রধানমন্ত্রী কোটা সংস্কার আন্দোলনে প্রাণহানি ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা হবে মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দেখাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী পবিত্র আশুরা মুসলিম উম্মার জন্য তাৎপর্যময় ও শোকের দিন আশুরার মর্মবাণী ধারণ করে সমাজে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার আহ্বান মুসলিম সম্প্রদায়ের উচিত গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া নিজেদের রাজাকার বলতে তাদের লজ্জাও করে না : প্রধানমন্ত্রী দুঃখ লাগছে, রোকেয়া হলের ছাত্রীরাও বলে তারা রাজাকার শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ

করোনার জের, বিশ্বজুড়ে গড় আয়ু কমলো ২ বছর

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ২৬ মে ২০২৪  

২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম এক কালো অধ্যায়। এই বছরগুলোতে মানুষ অনিচ্ছায় ছিলেন ঘরবন্দি। ডাক্তারি ভাষায় নাম দেয়া হয়েছিল-আইসোলেশনে। করোনা মহামারিতে বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষ ছিলেন দুশ্চিন্তায়। এ সময়ে কেউ চাকরি হারিয়েছেন, কারো বন্ধ হয়েছে ব্যবসা। আবার বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়-স্বজন ও পরিবারের সদস্যদের হারিয়ে অনেকে হয়েছেন নিঃস্ব।

শুক্রবার (২৪ মে) বৈশ্বিক স্বাস্থ্য পরিসংখ্যানগত বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-ডব্লিউএইচও। প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা মহামারির কারণে বিশ্বজুড়ে মানুষের গড় আয়ু কমেছে প্রায় দুই বছর। এতে বর্তমানে মানুষের গড় আয়ু দাঁড়িয়েছে ৭১ বছর ৪ মাসে।

গড় আয়ু কমার পাশাপাশি ১ বছর ৫ মাস হ্রাস পেয়েছে শারীরিকভাবে সুস্থ-সক্ষম থাকার গড় বয়সসীমাও। ডব্লিউএইচওর তথ্যমতে, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে শারীরিকভাবে সুস্থ-সক্ষম থাকার গড় বয়স নেমেছে ৬১ বছর ৯ মাসে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের গড় আয়ুর ওপর যে গভীর প্রভাব রেখে গেছে করোনা মহামারি, তা বিগত ৫০ বছরে অন্য কোনো রোগের বেলায় ঘটেনি।

এর আগে গত জানুয়ারিতে এ সম্পর্কিত একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল বিশ্ববিখ্যাত চিকিৎসা সাময়িকী ল্যানসেটে। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, করোনা মহামারীর কারণে বিশ্বজুড়ে গড় আয়ু কমেছে ১ বছর ৬ মাস।
এক বিবৃতিতে ডব্লিউএইচও'র মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস বলেন, গড় আয়ু হ্রাস পাওয়ার তথ্য বার্তা দিচ্ছে যে শিগগিরই সদস্যরাষ্ট্রগুলোর একটি মহামারি নিরাপত্তা চুক্তিতে আসা উচিত। যা বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করবে, স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ নিশ্চিত করবে এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমতা নিশ্চিত করবে।