• শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ||

  • অগ্রহায়ণ ২৪ ১৪৩০

  • || ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৫

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
বিএনপির পরবর্তী পরিকল্পনা দেশে দুর্ভিক্ষ ঘটানো : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী নারীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জিডিপিতে বস্ত্র খাতের অবদান ১৩ শতাংশ : প্রধানমন্ত্রী প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় : রাষ্ট্রপতি নিউজউইকে নিবন্ধে প্রধানমন্ত্রী প্রথমবার যাত্রী নিয়ে পর্যটন নগরীতে পৌঁছাল ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ক্লাইমেট মোবিলিটি চ্যাম্পিয়ন লিডার অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ুর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মেয়র হানিফের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইনের নীতিগত অনুমোদন

আলু আমদানির খবরেই কমেছে দাম

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৩  

আমদানির খবরেই হিলির বাজারে কমেছে আলুর দাম। ঊর্ধ্বমুখী বাজারে দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতেই ভারত থেকে আলু আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্ত হিলির ১২ জন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আইপি দেয়া হয়েছে।

আমদানির খবরে হিলির বাজারে আলুর দাম প্রতি কেজিতে কমেছে পাঁচ টাকা। আর বস্তা প্রতি কমেছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। গতকাল কাটিলাল জাতের আলু ৫০ টাকা বিক্রি হলেও সেটা আজকে বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা। একইভাবে গুটি জাতের পাকড়ী আলু কেজিতে সাত টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৫২ টাকা।

হিলি বাজারের আড়তদার মনিরুল ইসলাম  বলেন, বেশ কিছু দিন ধরে আলুর বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। তবে ভারত থেকে আলু আসার খবরে আজকেই প্রথম আলুর দাম কেজিতে কমেছে পাঁচ থেকে ছয় টাকা। আর বস্তায় কমেছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। প্রশ্ন ছিল দামটা কারা কমালো! কেন কমলো!

মনিরুল বলেন, আমরা স্টোর থেকে আলু ক্রয় করি সেখানেই দাম কমেছে। কম দামে কিনেছি তাই আজকে কম দামে বিক্রি করছি। বেশি কমের পিছনে তাদের কোন হাত নাই।
 

কথা হয় বাজারে সবজি বাজার করতে আসা হায়দার আলীর সঙ্গে। তিনি বলেন, বাজারে প্রত্যেকটা জিনিসের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও সবজির দাম কিছুটা নাগালের মধ্যে। আলুর দামটা অনেক বেশি ছিল। দুইদিন আগেও দেশীয় পাকড়ী জাতের আলু ৬০ টাকা কিনেছিলাম, আজকে সেটা বাহান্ন টাকায় কিনলাম।

সাধারণ ভোক্তারা বলছেন, প্রতি বছর সরকার নানাভাবেই দ্রব্যমূল্যর দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে কাজ করলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে সরকারি পরিকল্পনা সফল হয় না। তাই আলু আমদানির পর অবশ্যই সাধারণ ভোক্তার হাতে পোঁছাই এবিষয়ে  নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে। তাছাড়া কোন লাভই হবে না আলু  আমদানি করে। লাভবান হবে সিন্ডিকেট ও মজুদাররাই।

ব্যাংক থেকে এলসি পাওয়া মাত্রই আলু আমদানি করা হবে বলে জানান আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা।

এদিকে আলু আমদানিতে সব ধরনের সহযোগিতার কথায় বলছেন উদ্ভিদ সংঘ নিরোধের উপ-সহকারী মোহাম্মদ ইউসুফ আলী। তিনি বলেন, গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত হিলির ১২ জন আমদানিকারক ১৪ হাজার মেট্রিক টন আলু আমদানির অনুমোদন পেয়েছে। তাছাড়া আরও বেশ কিছু অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।