• বুধবার   ০৬ জুলাই ২০২২ ||

  • আষাঢ় ২১ ১৪২৯

  • || ০৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

মাদারীপুর দর্পন

সারা বিশ্বে অবদান রাখবে পদ্মা সেতু

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ১২ জুন ২০২২  

শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বের কারণেই নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু সম্ভব হয়েছে। এ সেতু ২১ জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থারই শুধু উন্নয়ন নয়, অর্থনৈতিক মুক্তির নতুন দ্বার উন্মুক্ত করবে বলে মন্তব্য করেছেন পেশাজীবীরা। প্রত্যন্ত অঞ্চলের সঙ্গেও সেতুর উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি তাদের।

দরজায় কড়া নাড়ছে গৌরবের পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের মাহেন্দ্রক্ষণ। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটারের এই সেতু যেন স্পর্শ করেছে ১৮ কোটি বাঙালিকে। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘পদ্মা সেতু: দক্ষিণাঞ্চলের স্বপ্ন বুনন’ শীর্ষক সেমিনার আয়োজন করে বরিশাল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন।

আলোচনায় অংশ নেন বরিশালের বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ। পদ্মা সেতুর সুফল প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে ২১ জেলায় অবকাঠামো উন্নয়নের দাবি জানান তারা। বলেন, রাস্তাটা নির্মাণ হলেই আমরা সাগরকূলের মানুষজন কাঁচামাল নিয়ে ট্রাকে ৫ ঘণ্টায় ঢাকা চলে আসতে পারব।

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, পদ্মা সেতুর সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রান্তিক জেলাগুলোর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নেই সেতু নির্মাণের অর্থনৈতিক সুফল বয়ে আনবে।

তিনি বলেন, এখন কক্সবাজার যেতে লাগে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা। কিন্তু পদ্মা সেতু হয়ে গেলে কুয়াকাটা যেতে লাগবে মাত্র ৬ ঘণ্টা।

একই অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, শেখ হাসিনার দৃঢ়চেতা নেতৃত্বে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের ফলে বদলে যাবে ৩ বিভাগের অর্থনীতি। জিডিপি বাড়বে ২ শতাংশ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন নয়, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক যোগাযোগেও এ সেতু আনবে বৈপ্লবিক অগ্রগতি।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, শুধু দক্ষিণাঞ্চল নয়, সারা দেশ, উপমহাদেশ, দক্ষিণ এশিয়া, এমনকি বলতে গেলে সারা বিশ্বেই ব্যবসাবাণিজ্যে অবদান রাখবে পদ্মা সেতু।

মূল প্রবন্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক তৌহিদুল হক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পর্যটন ও যোগাযোগসহ সামাজিক পরিবর্তনে পদ্মা সেতুর ভূমিকা তুলে ধরেন।