• শনিবার   ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৯ ১৪২৯

  • || ০৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টের সভা বাংলাদেশ সবসময় ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় কর ব্যবস্থাপনা তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ১০ টাকায় টিকিট কেটে চোখ পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী আইসিওয়াইএফ থেকে পাওয়া সম্মাননা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর শিক্ষা ব্যবস্থা যাতে পিছিয়ে না যায় সে ব্যবস্থা নিচ্ছি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল হস্তান্তর প্লিজ যুদ্ধ থামান, সংঘাত থামাতে সংলাপ করুন: শেখ হাসিনা হানিফের সংগ্রামী জীবন নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক কর্মীদের দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করবে মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন পরীক্ষিত নেতা

আজব চোর ধরল ডিবি

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০২২  

এক আজব চোরের সন্ধান পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) রমনা বিভাগ। যার নেশা জুয়েলারি দোকান থেকে স্বর্ণালংকার চুরি এবং তা বিক্রি করে বন্ধুদের নিয়ে কক্সবাজার ঘুরে বেড়ানো। এমনকি সব বন্ধুকে কিনে দিতেন একই রকম পোশাক। পুলিশ বলছে, মালিকের দেয়া চাবি নকল করে ফরহাদ ও তার বন্ধুরা এক দোকানেই চুরি করেছে ১৮ ভরি স্বর্ণের গহনা। স্বর্ণ চুরি ও এসব মালামাল কেনার সঙ্গে জড়িত ১১ জন ধরা পড়েছে পুলিশের হাতে।

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় চন্দ্রিমা মার্কেটের সততা জুয়েলার্স। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কয়েকজন অবলীলায় দোকানের তালা খুলে স্বর্ণের গহনা চুরি করার পর মার্কেট থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন।

চুরি করা এসব গহনা বিক্রি করে সবাই একই রকমের পোশাক কিনে রওনা দেন কক্সবাজারের উদ্দেশে। সেখানে চলে ঘোরাঘুরি আর মাদকগ্রহণ। এভাবেই চুরির টাকায় তাদের শখ পূরণ চলে একাধিকবার।

দোকানের মালিক বলছেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে পাশের দোকানের কর্মচারী ফরহাদকে নিয়োগ দেন প্রতিদিন দোকান খোলা আর বন্ধের কাজে। এই সুযোগে নকল চাবি তৈরি করে রাখে ফরহাদ।

ভুক্তভোগী স্বপন চৌধুরী বলেন, বেশকিছু দিন ধরেই চুরি করছিল। প্রথমে বুঝতে পারিনি। এবার বেশি করে নেয়ায় বুঝতে পারলাম।

অন্য ব্যবসায়ী বলেন, আপনার দোকানে তালা লাগানো অবস্থায় কীভাবে চুরি হলো, আমি বুঝতে পারছিলাম না। পরের বার বেশি মালামাল নেয়ায় বুঝতে পারি।

পুলিশ বলছে, চক্রটি স্বর্ণের গহনা চুরি করে বিক্রি করতো বিজিবি গেটের কিছু ব্যবসায়ীর কাছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশপ্রধান হারুন অর রশিদ বলেন, বাজারে গহনার ভরি যেখানে ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে সেখানে তারা ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা ভরি হিসেবে বিক্রি করে। এসব চোরাই সিন্ডিকেটের কারণে তাদের ধরা যাচ্ছে না। তারপরও আমাদের অভিযান চলছে।

চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলেও জানায় পুলিশ।