• শনিবার   ২১ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৭ ১৪২৯

  • || ১৯ শাওয়াল ১৪৪৩

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
জুনেই পদ্মা সেতুতে দাঁড়িয়ে মানুষ পূর্ণিমার চাঁদ দেখবে: কাদের শেখ হাসিনা প্রত্যাবর্তন করাতেই উন্নয়ন ও অর্জনে বাংলাদেশ বিশ্বের বিস্ময়: সেতুমন্ত্রী প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবদুল গাফফার চৌধুরী আর নেই মানবতাবিরোধী অপরাধী আজিজসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড ভ্যাকসিনেশনে আমেরিকার চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৫০ বছরে সবচেয়ে সৎ রাজনীতিকের নাম শেখ হাসিনা: কাদের নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ এক অনন্য রচনা: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ১ লাখ ৯২ হাজার হেক্টর ভূমিতে বনায়ন করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের আলোয় বাংলাদেশ আজ আলোকিত: ওবায়দুল কাদের সবাইকে সাশ্রয়ী হতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

সাবমারসিবল পাইপে আসছে ইয়াবা

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ১০ মে ২০২২  

পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ইয়াবার চালান আসছে মাটির নিচ থেকে পানি তোলার কাজে ব্যবহার করার সাবমারসিবল পাইপে। বেড়েছে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ইয়াবার চোরাচালান। কারণ কোনো স্ক্যানিংয়ের ব্যবস্থা নেই। চার মাদক পরিবহনকারীকে গ্রেফতারের পর গোয়েন্দারা বলেন, ইয়াবা চোরাচালানে মাদক কারবারিদের নতুন কৌশল এটি। আর বিদেশে বসে কাটআউট পদ্ধতিতে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে গডফাদাররা।

সাবমারসিবল পাইপ, যা মাটির নিচ থেকে পানি তোলার কাজে ব্যবহৃত হয়। ইয়াবা কারবারিদের নজর এবার এ পাইপে। অভিনব কৌশলে পাইপের ভেতরে থরে থরে সাজিয়ে কক্সবাজার থেকে ইয়াবার চালান পাঠানো হচ্ছে ঢাকায়। বাইরে থেকে বোঝার কোনো উপায় নেই ভেতরে কি আছে।

কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে একের পর এক চালান আসছে ভয়ংকর এই মাদকটির। গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে সম্প্রতি চালানটি ধরা পড়ে। কক্সবাজার থেকে আসা চালানটির গন্তব্য ছিল ঢাকার যাত্রাবাড়ি। গ্রেফতার করা হয়েছে চার জনকে।

মাদক পরিবহনে কৌশল পরিবর্তন নতুন কোনো ঘটনা নয়। ৪০ টাকায় কেনা প্রতি পিস ইয়াবা রাজধানীতে আসার পর দাম হয়ে যায় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। তাই রমরমা এ ইয়াবা বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে এবং চালান ক্রেতার কাছে পৌঁছে দিতে কারবারিদের চেষ্টার ত্রুটি থাকে না। একমাত্র গোয়েন্দা তথ্য থাকলেই ধরা পড়ে চালান।

ইদানীং কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ইয়াবা পরিবহন বেড়েছে। কারণ হিসেবে গোয়েন্দারা বলেন, চেকিং এবং স্ক্যানিংয়ের ব্যবস্থা না থাকার কারণেই সুযোগ নিচ্ছে কারবারিরা।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (গুলশান বিভাগ) মশিউর রহমান জানান, বিভিন্ন পার্সেল, যন্ত্রপাতি ইত্যাদির মাধ্যমে এটি লেনদেন হয়ে যাচ্ছে। সেখানে চেকিং এবং স্ক্যানিংয়ের মেশিন না থাকার কারণে ধরাও যাচ্ছে না।

অভিযানে আটক কিংবা গ্রেফতারকৃতদের বেশির ভাগই বাহক। মূলহোতারা রয়ে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। পুলিশ বলছে, বিদেশে বসে গডফাদাররা নিয়ন্ত্রণ করে মাদক বাণিজ্য।

মশিউর রহমান বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা অনেকেই থাকে বিদেশে। সেখানে থেকে মানিলন্ডারিং করে এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আবার অনেকে থাকে প্রত্যন্ত বর্ডার অঞ্চলে। সেখানেও আমাদের প্রবেশাধিকার কম। যারা বহন করে, যারা কিনে মানে যারা ছোট পাইকার তাদের ধরা হয়। বড় পাইকারদের নাম তারাও জানে না। এখানে বিভিন্ন কাটআউট পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে তারা।

টেকনাফের কারবারিদের আইনের আওতায় না আনা গেলে শুধু রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে মাদক পাচার ঠেকানো সম্ভব নয়, জানান গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।