• শনিবার   ২১ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৭ ১৪২৯

  • || ১৯ শাওয়াল ১৪৪৩

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
জুনেই পদ্মা সেতুতে দাঁড়িয়ে মানুষ পূর্ণিমার চাঁদ দেখবে: কাদের শেখ হাসিনা প্রত্যাবর্তন করাতেই উন্নয়ন ও অর্জনে বাংলাদেশ বিশ্বের বিস্ময়: সেতুমন্ত্রী প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবদুল গাফফার চৌধুরী আর নেই মানবতাবিরোধী অপরাধী আজিজসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড ভ্যাকসিনেশনে আমেরিকার চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৫০ বছরে সবচেয়ে সৎ রাজনীতিকের নাম শেখ হাসিনা: কাদের নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ এক অনন্য রচনা: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ১ লাখ ৯২ হাজার হেক্টর ভূমিতে বনায়ন করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের আলোয় বাংলাদেশ আজ আলোকিত: ওবায়দুল কাদের সবাইকে সাশ্রয়ী হতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

হাতিরঝিলে পানিতে লাফিয়ে আত্মহত্যা করা যুবকের ‘প্রেমিকা’ গ্রেফতার

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০২২  

রাজধানীর হাতিরঝিলের মহানগর ব্রিজ থেকে পানিতে লাফি দিয়ে বজলু মিরাজ চৌধুরী রাজ (২৪) নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় তার কথিত প্রেমিকা মির্জা আক্তার বর্ষাকে (২৪) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত যুবকের মা নাদিরা বেগম হাতিরঝিল থানায় বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে প্রেমিকা বর্ষার বিরুদ্ধে মামলা করেন।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) রাতে হাতিরঝিল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মেজবা উদ্দীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, হাতিরঝিলে পানিতে লাফ দিয়ে বজলু মিরাজ চৌধুরী রাজের মৃত্যুর ঘটনায় তার মা মামলা করেছেন। এ মামলায় তিনি রাজের কথিত প্রেমিকা মির্জা আক্তার বর্ষাকে আসামি করেছেন। মামলায় তার ছেলেকে আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগ করেছেন বাদী। এ অভিযোগের ভিত্তিতে বর্ষাকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কারিবেল হাসান জানান, শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) মধ্যরাতে পাঠাওতে করে হাতিরঝিল এসে নামেন বজলু মিরাজ চৌধুরী রাজ। এরপর তিনি তার মানিব্যাগ ও মোবাইল পাঠাওচালকের কাছে দিয়ে বলেন তিনি আত্মহত্যা করবেন। এরপরই তিনি পানিতে লাফ দেন। লাফ দেওয়ার আগে প্রেমিকা বর্ষার মোবাইল নম্বর পাঠাওচালককে দেন। তবে লাফ দেওয়ার সময় বর্ষা ঘটনাস্থলে ছিলেন না। পাঠাওচালকসহ ঘটনাস্থলে আরও দুজন ব্যক্তি ছিলেন। তারা ওই যুবককে বাধা দেন। তবে রাজ জোর করেই পানিতে লাফ দেন।

ঘটনার পর নিহতের মা নাদিরা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলের সঙ্গে মির্জা আক্তার বর্ষা নামের এক মেয়ের সম্পর্ক ছিল। ওই মেয়েটি মাদকাসক্ত। আমার ছেলেকে আকাশ ও বর্ষা ডেকে নিয়ে ব্রিজ থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার ছেলে পড়াশোনা গ্যাপ হওয়ায় কারণে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতো। সামনে তার পরীক্ষা ছিল।’