• সোমবার   ৩০ জানুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৬ ১৪২৯

  • || ০৮ রজব ১৪৪৪

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
সারদায় কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন সারদায় প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের জন্য নিরাপদ মাতৃভূমি করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ প্রধানমন্ত্রী আরসিসির ৭ উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন আজ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যাচ্ছেন ৪৬০ পুলিশ কর্মকর্তা বিএনপির দুর্নীতি নিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাস রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী ২৫ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন রোববার ডিজিটালাইজেশনে বাংলাদেশে বিপ্লব ঘটে গেছে : প্রধানমন্ত্রী আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে : বিদায়ি সুইস রাষ্ট্রদূতকে প্রধানমন্ত্রী

টেক্কা দিয়ে বাংলাদেশের এগোনো অনেকের পছন্দ না: প্রধানমন্ত্রী

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারি ২০২৩  

দেশ যত দ্রুত এগুবে তত বেশি চক্রান্ত হতে পারে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা বাংলাদেশকে স্বাধীনতার সময় সমর্থন করেনি, তাদের সঙ্গে টেক্কা দিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তারা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাটা পছন্দ করছে না বলেও মনে করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশনের বার্ষিক নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ দুঃখের সময়ও আমাদের অর্থনীতির যে হিসেব সেটা অনেক সংস্থা বলছে, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। এর মধ্যেও কিন্তু আমরা প্রায় পাঁচ ধাপ অগ্রগামী হতে পেরেছি। এটাও কিন্তু কম কথা নয়। তবে এটাও মনে রাখবেন, যত বেশি দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাবেন তত বেশি চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র থাকতে পারে।

শেখ হাসিনা বলেন, অনেকেই তো আছে আমাদের স্বাধীনতা আসুক সেটাই চায়নি। কাজেই আমাদের অগ্রযাত্রাটা অনেকের হয়তো পছন্দ হবে না, যারা আমাদের স্বাধীনতার সময় আমাদের সমর্থন দেয়নি বা মনে করতে পারে তাদের সঙ্গে টেক্কা দিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

দেশকে এগিয়ে নিতে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে বাংলাদেশ যে এগিয়ে যেতে পেরেছে করোনা মহামারির মধ্যেও কিন্তু আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল। এজন্য আপনাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। সকলে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন বলেই এটা সম্ভব হয়েছে।

নিজেকে জনগণের সেবক দাবি করে টানা তিনবারের সরকার প্রধান বলেন, আমি যখন সরকার গঠন করেছি, সরকার গঠন করে এটাই বলেছি যে আমি জনগণের সেবক; যেটা আমার বাবাও বলেছিলেন। তারই কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে আমি বলেছি আমরা জনগণের সেবক। এখানে ক্ষমতাটা উপভোগ করতে আসেনি, এসেছি দিতে, মানুষের জন্য কিছু করতে।

প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সকলের বেতন ভাতা প্রায় ১২৩ ভাগ বাড়িয়ে দিয়েছি, গাড়ি কেনার ঋণ, ফ্ল্যাট কেনার ঋণ এগুলোরও ব্যবস্থা আমরা করে দিয়েছি। সব ধরনের সুযোগ সুবিধা আমরা দিয়ে দিয়েছি। এ কারণে যে আমরা কাজ চাই, জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করবেন।

শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের পাশে থেকে, জনগণের কাজ করা, জনগণের মুখে একটু হাসি ফোটালে সে কাজের যে স্বীকৃতিটা এ অনুভূতিটা যেন সকলের মনে থাকে। আমি আবারও বলবো আমি কিছু নিতে আসেনি, বাবা মা ভাই সব হারিয়ে আমি শুধু একটা কাজই করতে এসেছি বাংলার জনগণকে দিতে এসেছি, তাদের জীবনমান যেন উন্নত হয় এটাই আমার একমাত্র লক্ষ্য।