• শনিবার   ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৯ ১৪২৯

  • || ০৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টের সভা বাংলাদেশ সবসময় ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় কর ব্যবস্থাপনা তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ১০ টাকায় টিকিট কেটে চোখ পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী আইসিওয়াইএফ থেকে পাওয়া সম্মাননা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর শিক্ষা ব্যবস্থা যাতে পিছিয়ে না যায় সে ব্যবস্থা নিচ্ছি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল হস্তান্তর প্লিজ যুদ্ধ থামান, সংঘাত থামাতে সংলাপ করুন: শেখ হাসিনা হানিফের সংগ্রামী জীবন নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক কর্মীদের দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করবে মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন পরীক্ষিত নেতা

একটানা ৪০ দিন ফজরের নামাজ পড়ে বাইসাইকেল পেল ৪৮ শিক্ষার্থী

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ১২ নভেম্বর ২০২২  

৪০ দিন জামায়াতের সঙ্গে ফজরের নামাজ আদায়ের শর্তে নিবন্ধন করেন ৬৫ জন শিক্ষার্থী, তাদের সবারই বয়স ১০ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। যারা শর্ত পূরণ করতে পারবেন, তাদের নতুন বাইসাইকেল প্রদান করা হবে।

শর্তানুযায়ী এক টানা ৪০ দিন জামায়াতের সঙ্গে ফজরের নামাজ আদায় করে বাইসাইকেল পুরস্কার পেয়েছেন ৪৮ জন শিক্ষার্থী। বাকি ১৭ জন শিক্ষার্থী পেয়েছেন ইসলামিক বই।

শুক্রবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে নওগাঁ নওজোয়ান মাঠে শিক্ষার্থীদের হাতে এসব পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

সাইকেল উপহার পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীরা। ছেলেদের এমন অর্জনে খুশি অভিভাবকরাও। তবে তাদের এমন অভ্যাস যেন হারিয়ে না যায়, সেই দিকে সচেষ্ট মনোনিবেশ রাখার আহ্বান অভিভাবকদের।

অভিভাবকরা জানায়, বাচ্চারা যেন নিয়মিত নামাজ পড়েন ও শিষ্টাচার ভুলে না যায়, সে জন্য যত্নবান হতে হবে। এ পদ্ধতি বাচ্চাদের ধর্মীয় অনুশাসনে রাখবে। এমন উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান তারা।

নামাজ পড়ে বাইসাইকেল পেয়েছেন শহরের কাচারি মসজিদ এলাকার উমর বিন সবুর (১০)। উপহার পেয়ে উচ্ছ্বসিত উমর। উমর জানান, বাবা ও মা তাকে প্রতিদিন ফজরের নামাজের আগে ঘুম থেকে ডেকে দিত। সাইকেল পুরস্কার হিসেবে পেয়ে তার অনেক উপকার হয়েছে। প্রতিদিন মাদরাসায় যাতায়াতে সাইকেল অনেক সহায়তা করবে।

এ বিষয়ে বকুল বালিকা দলের সহ-সভাপতি নাহিদ নিগার জানান, পূর্বে জেলার অসহায় মানুষের জন্য কাজ করেছি। শহর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য ডাস্টবিনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় এবং শারীরিক উন্নতির জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।