• শনিবার   ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৯ ১৪২৯

  • || ০৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টের সভা বাংলাদেশ সবসময় ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় কর ব্যবস্থাপনা তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ১০ টাকায় টিকিট কেটে চোখ পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী আইসিওয়াইএফ থেকে পাওয়া সম্মাননা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর শিক্ষা ব্যবস্থা যাতে পিছিয়ে না যায় সে ব্যবস্থা নিচ্ছি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল হস্তান্তর প্লিজ যুদ্ধ থামান, সংঘাত থামাতে সংলাপ করুন: শেখ হাসিনা হানিফের সংগ্রামী জীবন নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক কর্মীদের দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করবে মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন পরীক্ষিত নেতা

বিশ্ব অহিংস দিবস আজ

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০২২  

প্রতি মাসের নির্দিষ্ট কিছু দিনে বিভিন্ন দেশে কিছু দিবস পালিত হয়। ঐ নির্দিষ্ট দিনে অতীতের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে স্মরণ করা বা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরি করতেই এই সব দিবস পালিত হয়। পালনীয় সেই সব দিবস গুলোর মধ্যে একটি হলো বিশ্ব অহিংস দিবস আজ।

২ অক্টোবর, আজ শনিবার আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস। বিশ্ব থেকে হিংসা, বিদ্বেষ, হানাহানি, মারামারি, অসহিষ্ণুতা ও রক্তপাত বন্ধে বিশ্ববাসীকে সচেতন করতে প্রতিবছর ২ অক্টোবর বিশ্ব অহিংস দিবস পালন করা হয়। অহিংসা বলতে বোঝায় হিংসা থেকে দূরে থাকা। হিংসা থেকে দূরে থাকাই এ দিবসের মূল কথা।

পৃথিবীর অসহিষ্ণুতা, উত্তেজনা, সহিংসতা বন্ধে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অবিসংবাদিক নেতা মহাত্মা গান্ধীর অহিংস আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। তাই মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিনকে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ভারতে এদিনটি গান্ধী জয়ন্তী হিসেবেই পরিচিত।

২০০৭ সালের ১৫ই জুন জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ২ অক্টোবর-কে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তখন থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে।

কোন প্রেক্ষাপটকে বিবেচনায় নিয়ে ২ অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস ঘোষণা করা হলো, তা অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যায় যে, অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা ও ভারতের জাতির জনক মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর জন্মদিনকেই অহিংস দিবস হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছে। ভারতের স্বাধীনতালাভের পর থেকেই ২ অক্টোবরকে শান্তি ও মানবতার প্রতীক হিসেবে মহাত্মা গান্ধীর জন্মোৎসব পালন করা হয়।

সর্বপ্রথম ২০০৪ সালে বোম্বেতে অনুষ্ঠিত ‘ওয়াল্ড সোসাল ফোরাম’ এ শান্তিতে নোবেল বিজয়ী শিরীন এবাদির কাছে ২ অক্টোবরকে অহিংস দিবস হিসেবে ঘোষণার জন্য উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ জানান একজন শিক্ষক। 

পরবর্তীতে ২০০৭ সালে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ‘সত্যগ্রহ কনফারেন্স’ থেকে সোনিয়া গান্ধী ও ডেসমন্ড টুটু জাতিসংঘের প্রতি গান্ধীর জন্মদিনকে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস ঘোষনার আহ্বান জানালে সদস্য রাষ্ট্রসমূহের সম্মতি সাপেক্ষে ২ অক্টোবরকে ‘আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।