• শনিবার   ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৯ ১৪২৯

  • || ০৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টের সভা বাংলাদেশ সবসময় ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় কর ব্যবস্থাপনা তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ১০ টাকায় টিকিট কেটে চোখ পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী আইসিওয়াইএফ থেকে পাওয়া সম্মাননা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর শিক্ষা ব্যবস্থা যাতে পিছিয়ে না যায় সে ব্যবস্থা নিচ্ছি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল হস্তান্তর প্লিজ যুদ্ধ থামান, সংঘাত থামাতে সংলাপ করুন: শেখ হাসিনা হানিফের সংগ্রামী জীবন নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক কর্মীদের দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করবে মোহাম্মদ হানিফ ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন পরীক্ষিত নেতা

ডেল্টাপ্ল্যান বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন-জলাবদ্ধতা থাকবে না

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২  

ডেল্টাপ্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়িত হলে সারাদেশে নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতার কোনো সমস্যা থাকবে না বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের (আইইবি) সভাকক্ষে আয়োজিত ‘হাওরে সস্পদ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। সেমিনারের আয়োজন করে আইইবির টাস্কফোর্স অন ওয়াটার সেক্টর।

সেমিনারে এনামুল হক শামীম বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা হাওরের মানুষের মুখে স্থায়ী হাসি দেখতে চান। এ কারণে তিনি হাওরে স্থায়ী প্রকল্প করছেন। যাতে আর হাওরের মানুষের কান্না দেখতে না হয়।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এমনকি বাংলাদেশি খাদ্য বিদেশেও রপ্তানি করা হয়। দেশের কৃষিতে হাওরের মানুষের অনেক অবদান রয়েছেন। তিনি হাওরের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য কাজ করছেন।

উপমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আগামীর বাসযোগ্য বিশ্বমানের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ডেল্টাপ্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন। আর এই মহাপরিকল্পনার ৮০ ভাগ কাজই পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করবে। এটি বাস্তবায়িত হলে সারাদেশে নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতার কোনো সমস্যাই থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, সারাদেশে নদীভাঙন রক্ষায় বিভিন্ন স্থায়ী প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও সারাদেশে নদীভাঙন এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে স্থায়ী বাঁধ করা হচ্ছে, বাঁধ প্রশস্তকরণ হচ্ছে, বনায়নও করা হচ্ছে। যেখানে যা করা প্রয়োজন তাই করা হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনগণের সঙ্গে কথা বলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।