• বৃহস্পতিবার   ০৯ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২৬ ১৪২৬

  • || ১৫ শা'বান ১৪৪১

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:
বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ যারা সাহায্য চাইতে পারবে না তাদের তালিকা করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকরা কেন চিকিৎসা দেবে না, এটা খুব দুঃখজনক : প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন জেলখাটা আসামিদের মুক্তির নীতিমালা করার নির্দেশ প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন হলে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে: অর্থমন্ত্রী করোনা: ৭৩ হাজার কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা বেসরকারি হাসপাতাল চিকিৎসা না দিলেই ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রতি উপজেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আজ থেকে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সেনাবাহিনী মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সমালোচনা করছে বিএনপি : কাদের
৬৩২

মৃতদেহ হয়ে উঠলো জীবিত

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ২৩ মার্চ ২০২০  

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কাশিমপুর থানার ডিউটি অফিসারের মোবাইল নম্বরে রোববার (২২ মার্চ) দুপুরে একটি কল আসে। সেই ফোনে জানানো হয়, সারদাগঞ্জ ৪নং ওয়ার্ড (জামাল কাজীর বাড়ীর ভাড়াটিয়া) মো. জাহাঙ্গীর আলমের অজ্ঞাত কারণে মৃত্যুর সংবাদ। সেই সংবাদের ভিত্তিতে কাশিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকবর আলী খান উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মাহাবুবকে পাঠান মরদেহ উদ্ধারের জন্য।

এসআই মাহাবুব ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তিনি স্থানীয়দের সহায়তায় বাড়ীর মেইন কেচি গেইটের তালা ভেঙ্গে জাহাঙ্গীর আলমের রুমের দরজা ভাঙ্গেন। সেই বাসার বাথরুম থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করেন এসআই মাহবুব।

এরপর মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য গাড়ীতে ওঠানো হচ্ছিল। এমন সময় হঠাৎ করে মৃত ব্যক্তির গলার মধ্যে গড়গড় শব্দ শোনা যায়। তখন দ্রুত এসআই মাহাবুব মৃত জাহাঙ্গীর আলমের বুকে চাপ দিলে তার শ্বাস-প্রশ্বাস শুরু হয়। এরপর দ্রুতগতিতে তাকে পুলিশের গাড়ীতেই শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান জাহাঙ্গীর আলমের শারীরিক অবস্থা মোটামুটি ভাল।

কাশিমপুর থানার এসআই মোহাম্মদ মাহাবুবের উপস্থিত বুদ্ধির কারণে জাহাঙ্গীর আলম জীবন ফিরে পান।

জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পশ্চিম থানার খাঁ-পাড়া এলাকার মোঃ আব্দুস সোবাহানের ছেলে। তিনি বর্তমানে শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

কাশিমপুর থানার এসআই মাহবুব আলম বলেন, ঘটনাটি কাকতালীয় লাগছে। মৃত্যুর খবর পেয়ে এক মুহূর্তের জন্যও দেরি করা হয়নি। আবার তার গলার আওয়াজ পাচ্ছিলাম যখন তখন সঙ্গে সঙ্গেই তার বুকের ওপর হাত দিয়ে চাপ দেই। দুই তিনটা চাপ দিতেই তিনি নি:শ্বাস নিতে শুরু করেন। সম্ভবত তিনি মাইনর বা মেজর হার্ট অ্যাটাক করেছিলেন। তবে ম্যাসিভ অ্যাটাক হলে বাঁচতেন না। এছাড়া অন্যান্য দিক থেকেও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ওই বাড়িতে কেন তিনি একা ছিলেন তা সহ ইত্যাদি কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর