• বুধবার   ২৫ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১০ ১৪২৭

  • || ০৯ রবিউস সানি ১৪৪২

মাদারীপুর দর্পন
২৯

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর পর্নোগ্রাফি মামলায় প্রকৌশলীর কারাদণ্ড

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ১৯ নভেম্বর ২০২০  

রাজধানীর আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (এইউএসটি) ছাত্রীর দায়ের করা পর্নোগ্রাফি মামলায় পার্থ প্রতীম ঘোষ (৩০) নামের এক প্রকৌশলীকে পৃথক দু’টি ধারায় সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে রাজশাহী চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শাহ্ মোহাম্মাদ জাকির হাসান এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় অভিযুক্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর আদালতের নির্দেশে পুলিশ তাকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যায়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির ঘটনায় ওই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে এ পর্নোগ্রাফি মামলা করা হয়েছিল। সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে মামলার দুটি ধারায় বৃহস্পতিবার আসামির বিরুদ্ধে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

এরমধ্যে পর্নোগ্রাফি আইন-২০১২ এর ৮ এর ২ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড। এছাড়া পর্নোগ্রাফি আইনের ৮ এর ৫ এর 'ক' ধারায় আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ঘোষণা করা হয়। জরিমানা করা হয় লাখ টাকা। অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড।

সাজাপ্রাপ্ত আসামি পার্থ প্রতীম ঘোষ মহানগরীর মতিহার থানার অক্ট্রয় মোড় এলাকার মৃত প্রবীর কুমারের ছেলে। তিনিও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তিনি এইউএসটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে পাস করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন পার্থ। এরপর তার নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। সেই ছবি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে মেয়েটির বাবার কাছ থেকে এক লাখ টাকা দাবি করেন।

কিন্তু দাবি করা টাকা দিতে অস্বীকার করায় ওই ছাত্রীর ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এরপর ওই বছরের ২২ ডিসেম্বর মহানগরীর বোয়ালিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় স্বাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে বৃহস্পতিবার বিচারক এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলাটি পরিচালনা করেন আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহন কুমার সাহা।

আদালত বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর