• শনিবার   ২৮ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৪ ১৪২৭

  • || ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

মাদারীপুর দর্পন
২৯১

নতুন সাজে চলতি মাসেই চালু হবে বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২০  

যানজট থেকে মুক্তি আর সাশ্রয়ী খরচে ভ্রমণ করতে অনেকের কাছেই প্রিয় যাতায়াত মাধ্যম রেল। আর এই রেলসেবাকে আরো আরামদায়ক ও যাত্রীবান্ধব করতে আধুনিক রূপ দিতে সংস্কার কাজ চলছে রাজধানীর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বন্ধ রয়েছে স্টেশনের মূল ফটক। ভেতরে ঢুকতেই কু ঝিক ঝিক করে ছুটে এলো রেলগাড়ি। তবে প্ল্যাটফর্মে না দাঁড়িয়েই সোজা চলে গেলো অন্য কোনো গন্তব্যে। অনেক যাত্রীই অবহিত না থাকায় অপেক্ষায় ছিলেন ট্রেনের। তবে বেশি ভিড় ছিলো নির্মাণ শ্রমিকদেরই। সংস্কার কাজের জন্য বন্ধ রয়েছে সকল প্রকার ট্রেন থামা। তাই শেষ পর্যন্ত হতাশ হয়েই ফিরতে হয়েছে অজ্ঞাত যাত্রীদের।

তবে চলমান এ সংস্কার কাজে খুশি এই স্টেশন ব্যবহার করা যাত্রীরা। তারা মনে করেন, দেশের প্রতিটি স্টেশন যদি এরূপ আধুনিকায়ন হয়, তা কিছুটা হলেও সড়ক পরিবহনের ওপর চাপ কমাতে সক্ষম হবে।
 

 

প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা সিনিয়র উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আতিকুল ইসলাম বলেন,পূর্বে প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা ছিলো ১ ফুট ৬ ইঞ্চি, তা এখন বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ২ ফুট ৩ ইঞ্চি। এতে প্ল্যাট ফর্ম আর ট্রেনের বেসের উচ্চতা সমান হয়ে যাবে। ফলে যাত্রীদের আর কষ্ট করে ট্রেনের সিঁড়ি বাইতে হবে না। 

তিনি বলেন, উঁচু প্ল্যাটফর্ম এর ওপরে চলছে মোজাইক এর কাজ। পাশে চলছে রঙের কাজ। ওয়েটিং রুম এবং প্ল্যাটফর্ম এ যাত্রীদের বসার সব আসন সংস্কার করা হচ্ছে নতুন করে। সংস্কার চলায় বন্ধ রয়েছে স্টেশনের ভেতরের দোকানপাটও।
 

 

শুধু তাই নয়, প্ল্যাটফর্ম এর উত্তর এবং দক্ষিণ উভয় পার্শ্বে ১০ ফিট করে মোট ২০ ফিট বর্ধিত হচ্ছে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকার এই উন্নয়ন প্রকল্পে। সেইসঙ্গে স্টেশনে যত্রতত্র মানুষের প্রবেশ ঠেকাতে দেয়া হবে বিশেষ রেলিং। যার ফলে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট প্রবেশপথ দিয়েই প্রবেশ-বাহিরের সুযোগ পাবেন যাত্রীরা।
 

 

এ বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. শরিফুল আলম বলেন, এই সিস্টেম করা হচ্ছে যাতে টিকিট ছাড়া কোনো যাত্রী ট্রেনে উঠতে না পারে। আগে অনেকে ট্রেনের ছাদে উঠতো, বিনা টিকেটে ট্রেন ভ্রমণ করতো। এগুলো রোধ করার জন্য এ সংস্কার কাজ করা হচ্ছে। শুধু যাত্রীরাই ট্রেনে উঠতে পারবেন। যার টিকিট নেই, সে ঢুকতে পারবে না।

মোট তিনটি স্টেশনে এ ধরনের কাজ চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব বড়-বড় স্টেশনে এ ব্যবস্থার মধ্যে আনা হবে।
 

 

জানতে চাইলে বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার বলেন, আশা করছি আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ কাজটি শেষ হবে।

 

উন্নয়ন বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর