• রোববার   ১১ এপ্রিল ২০২১ ||

  • চৈত্র ২৮ ১৪২৭

  • || ২৯ শা'বান ১৪৪২

মাদারীপুর দর্পন
ব্রেকিং:

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখবে বেল

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ৩১ জানুয়ারি ২০২১  

বেল অতি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর একটি ফল। এতে প্রচুর পরিমাণে শ্বেতসার, ক্যারোটিন, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ক্যালসিয়াম ও লৌহ রয়েছে। 

প্রাচীনকাল থেকেই স্বাস্থ্য উপকারী ফল হিসেবে বেলের পরিচিতি সর্বত্র। কাঁচা, পাকা বেল, বেলের পাতা, ফুল, ছাল ও মূল সবই অনেক পুষ্টিকর। বেলেতে আছে এমন কিছু উপাদান যা খুব কম ফলেই পাওয়া যায়। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক আমাদের শরীরে জন্য বেলের গুণাগুণ ও উপকারিতা-

কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়
আমরা সেই ছোট থেকে শুনে আসছি, পেট পরিষ্কার করার জন্য বেল খেতে হয়। এটি কিন্তু বৈজ্ঞানিক ভাবেও সত্য। বেল সুন্দর ভাবে মল পরিষ্কার হতে সাহায্য করে। নিয়মিত আপনি বেলের শরবত খেতে মল আর কঠিন থাকবে না। কোষ্ঠকাঠিন্য আর হবে না। পাকা বেলের শাঁস বের করে চিনি,পানি বা দুধ  মিশিয়ে শরবত করে খান।

ডায়েরিয়া কমায়
কাঁচা বেল ডায়েরিয়ার জন্য অব্যর্থ ওষুধ। যদি অনেক দিন ধরে আপনি এই সমস্যায় ভোগেন তাহলে বেল খান। কাঁচা বেল স্লাইস করে কেটে রোদে শুকিয়ে নিন। তারপর তা গুঁড়া করে নিন আর এই গুঁড়া এক চামচ নিয়ে ব্রাউন সুগার আর গরম পানিতে মিশিয়ে খান। দিনে দু বার খেতে হবে এই শরবত। আপনাকে ফল পেতে এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে।

ডায়াবেটিস কমায়
পাকা বেলে আছে মেথানল নামের একটি উপাদান যা ব্লাড সুগার কমাতে অনবদ্য কাজ দেয়। সাম্প্রতিক গবেষণায় এটি ধরা পড়েছে। তবে ভালো ফল পেতে পাকা বেল শরবত করে নয়, এমনিই খেতে হবে।

ক্যান্সার থেকেও দূরে রাখে
ক্যান্সার আজকের দিনের এক মহামারী বলা যায়। আমরা সবাই চাই এই রোগটি থেকে দূরে থাকতে। বেল কিন্তু আমাদের এই রোগ থেকে দূরে রাখে। এতে আছে অ্যান্টি প্রলেফিরেটিভ ও অ্যান্টি মুটাজেন উপাদান। এই উপাদান টিউমার হতে দেয় না সহজে। আর যেহেতু এই ফলে হাই অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান আছে তাই ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

ম্যালেরিয়া কমায়
এটাও নিশ্চয়ই আগে শোনেননি? বেলের কিন্তু এই গুণটিও আছে। ম্যালেরিয়া হলে কাঁচা বেল গুঁড়া করে নিন। এবার এক চামচ এই বেল গুঁড়া নিয়ে তার সঙ্গে তুলসীর রস নিন। সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন দিনে দু বার। এটি কিন্তু অসাধারণ কাজ দেয়।

ব্লাড প্রেসার কমায়
যদি আপনি বেলের ভক্ত নাও হন, তাও বেল খান। কারণ বেল আপনার ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখবে। সাধারণ যেমন বেলের শরবত খান সেভাবে খেলেই হবে। মিষ্টি এই শরবত কিন্তু আপনার এই চাপ থেকে আপনাকে অনেক দূরে রাখবে।

আমাশয় কমায়
আমাশয় হলে কিন্তু আমাদের যন্ত্রণার একশেষ। নাভির কাছে চিনচিনে ব্যথা, টক বমি সব মিলে খুব বাজে ব্যাপার। তবে বেলের কাছে এটি কমাবারও ম্যাজিক আছে। কচি বেল টুকরো করে কেটে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন সারা রাত। সেই পানি পরের দিন ছেঁকে নিয়ে খান। দেখবেন এতে খুব ভালো ফল পাবেন।