• শুক্রবার   ২৭ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৩ ১৪২৭

  • || ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

মাদারীপুর দর্পন
২৮৩

আরো মসজিদে হামলার পরিকল্পনা ছিল: ব্রেন্টন ট্যারেন্ট

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ২৪ আগস্ট ২০২০  

নিউজিল্যান্ডে দুটি মসজিদে হামলা চালিয়ে ৫১ জনকে হত্যাকারী শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদীর আরো মসজিদেও হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল। আদালতে এমন দাবি করেছেন হামলাকারী ব্রেন্টন ট্যারেন্ট।

তিনি বলেন, আমি নন-ইউরোপিয়ানদের মাঝে ভয় জাগাতে চেয়েছিলাম। ক্রাইস্টচার্চ মসজিদে হামলার আগে অন্যান্য মসজিদে হামলার পরিকল্পনাও করেছিলাম।

সংবাদ সংস্থা বিবিসির খবরে জানা যায়, ২০১৯ সালের মার্চে দুটি মসজিদে নৃশংস হামলা চালিয়েছিল ব্রেন্টন ট্যারেন্ট। তৃতীয় আরেকটি মসজিদে হামলা চালানোর পরিকল্পনার পাশাপাশি সে মসজিদগুলো পুড়িয়েও দিতে এবং যত বেশি লোককে সম্ভব হত্যা করতে চেয়েছিল। শুধু হত্যা নয়, মসজিদ জ্বালিয়ে দেয়ার ইচ্ছা ছিল। তার বিরুদ্ধে আনা ৫১টি খুন, ৪০টি খুনের চেষ্টা ও সন্ত্রাসবাদের একটি অভিযোগের দায় স্বীকার করেছে সে।

সোমবার সকালে ক্রাইস্টচার্চে এ মামলার সাজা ঘোষণার শুনানি শুরু হয়েছে। করোনার কারণে নিউজিল্যান্ডে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সে কারণে সরাসরি এই শুনানিতে কারো উপস্থিতি নেই। বরং অন্য একটি কোর্টরুম থেকে ভিডিও কলিংয়ের মাধ্যমে শুনানি প্রক্রিয়া দেখানো হচ্ছে। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতেই এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

শুনানির সময় কারাগারের ধূসর পোশাকে দেখা গেছে ব্রেন্টন টেরেন্টকে। সে সময় তার আশেপাশে তিনজন পুলিশ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। শুনানির সময় একেবারেই নিশ্চুপ ছিলেন এই হামলাকারী।

সংবাদ সংস্থা বিবিসি বলছে, ২৯ বছর বয়সী ট্যারেন্ট আজীবন কারাবাসের শাস্তি পাবেন, সম্ভবত কোনো প্যারোলও পাবেন না তিনি। নিউজিল্যান্ডে এ ধরনের সাজার প্রথম ঘটনা এটি। এর আগে দেশটিতে কেউ এ ধরনের কোনো সাজার মুখোমুখি হয়নি।

বন্দুকধারী ট্যারেন্ট হামলার ঘটনা সরাসরি অনলাইনে সম্প্রচার করেছিল। সে ঘটনায় পুরো বিশ্ব স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিল আর এ ঘটনার জেরে নিউজিল্যান্ড দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে নিজেদের বন্দুক আইন পরিবর্তন করে ফেলে।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন বলেছেন, যারা ওই ভয়াবহ হামলা থেকে বেঁচে গেছেন এবং ওই হামলায় নিহতদের স্বজনদের জন্য এই সময়টা সত্যিই খুব কঠিন। তিনি বলেন, আমার মনে হয় না এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারি। ওই ট্রমার ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা মোটেও সহজ নয়।

সূত্র: বিবিসি

আন্তর্জাতিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর