• শুক্রবার   ২৩ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ৭ ১৪২৭

  • || ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

মাদারীপুর দর্পন
৬৭

আমরা শক্তিশালী বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের অপেক্ষায়: প্রধানমন্ত্রী

মাদারীপুর দর্পন

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে ডিজিটাল সহযোগিতায় বিশ্বব্যাপী অংশীদারিত্বের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, আমরা আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে একটি শক্তিশালী বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের অপেক্ষায় রয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৫তম অধিবেশনের সাইডলাইনে ‘ডিজিটাল সহযোগিতা : ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অ্যাকশন টুডে’ শীর্ষক একটি উচ্চপর্যায়ের ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

আগে ধারণকৃত ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, কোভিড-১৯ মহামারী ডিজিটাল পরিষেবার শক্তিকে উন্মোচিত করেছে এবং ডিজিটাল বিভাজনকেও প্রকাশ করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যারই ন্যূনতম ইন্টারনেট প্রবেশগম্যতা নেই। সে শূন্যতা পূরণ করতে হবে।

বাংলাদেশে তার সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকল্প নির্ধারণ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডিজিটালাইজেশনের জন্য সরকারের চাপের কারণেই বাংলাদেশ ইন্টারনেট প্রযুক্তিতে একটি ব্যাপক পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করেছে।

তিনি বলেন, দেশে মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০৩ দশমিক ৪৮ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। আমাদের ডিজিটালাইজেশন জনগণকে পরিবর্তন-নির্মাতা হওয়ার বিশাল সুযোগ এনে দিয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ডিজিটাল কানেকটিভিটির ওপর আমাদের আলোকপাত অর্থনৈতিক বিকাশকে সহজতর করেছে এবং নারীর ক্ষমতায়নসহ সামাজিক পরিবর্তনকে অনুঘটক করেছে। এটি এসডিজিগুলোকে বাস্তবায়ন এবং কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা করছে।’

তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমরা বাংলাদেশকে ২০৪১ সাল নাগাদ একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি, কাজেই আমরা আমাদের তরুণ প্রজন্মকে এ রূপান্তরিত যাত্রার কেন্দ্রে রাখতে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে সৃষ্ট উদীয়মান চাকরির বাজার বিবেচনা করে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে ডিজিটাল একাডেমি এবং সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ হতে চান।

রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট পল কাগামি, সিংটেল-এর সিইও চুয়া সুক কেওং, ডব্লুডব্লুডব্লুর প্রতিষ্ঠাতা টিম বার্নার্স লি. এবং কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জেফরি স্যাশেন প্যানেল আলোচক হিসেবে সংলাপে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনেরিয়েটা ফোর এবং আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিউ) মহাসচিব হলিন ঝাওয়ের যৌথ আমন্ত্রণে এ ইভেন্টে যোগ দেন।

সংসদ ভবনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের উপস্থাপনা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনের উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কিত একটি উপস্থাপনা (প্রেজেন্টেশন) প্রত্যক্ষ করেছেন। খবর বাসস।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে জাতীয় সংসদ ভবনের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত এ পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনাটি প্রত্যক্ষ করেন।

জাতীয় সংসদ ভবন সূত্র জানায়, বর্তমানে সংসদ সচিবালয়ে ১ হাজার ৩২১ কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। কিন্তু বর্তমান ভবন কাঠামোতে তারা স্থান সংকুলানের সমস্যায় রয়েছেন।

প্রেস সচিব বলেন, এমতাবস্থায় জাতীয় সংসদ ভবনের উত্তর প্লাজার ৫২ হাজার ৯৭ স্কয়ার ফিট জায়গাকে কাজে লাগানোর জন্য এ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়।

পাশাপাশি, সংসদ ভবনের স্থপতি লুই কানের মূল নকশায় থাকা অন্যান্য অনির্মিত স্থাপনাগুলো সম্পর্কেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।

ইহসানুল করিম বলেন, সংসদের মূল ভবন, এমপি হোস্টেল এবং পাঁচটি ন্যাম ভবনের সংস্কারের বিষয়েও প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভবনের উন্নয়ন কার্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রদান করেন বলে জানান প্রেস সচিব।

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম লিটন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এমপি, স্থাপত্যকলা বিভাগের প্রধান স্থপতি এএসএম আমিনুর রহমান এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর